ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সোহাগ ভূঁইয়া
ফেনীতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ফেনীতে চিকিৎসকের ভুলে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন
ফেনীতে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যার আসামি সাইফুল গ্রেফতার
জাল ভোট ১টি পড়লেও দায়ী ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা: ইসি আহসান। নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আহসান হাবীব খান বলেছেন, বর্তমান কমিশন গত ২২ মাসে ১৩০০ ভোট করেছে। একটাতেও অনিয়ম, অবিচার পাবেন না। আগামী সংসদ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ করার বিকল্প নেই। এজন্য ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ। তাই জাল ভোট একটি পড়লেও দায়ী ভোটগ্রহণ কর্মকর্তারা।
শনিবার (৩০ ডিসেম্বর) সকালে যশোরের মণিরামপুর উপজেলায় ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের প্রশিক্ষণ কর্মশালায় তিনি এ কথা বলেন। বেলা ১১টায় মণিরামপুর সরকারি বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে এ প্রশিক্ষণ কর্মশালার উদ্বোধন করেন তিনি।
ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে ইসি আহসান হাবীব খান বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও লক্ষীপুরে ভোটকেন্দ্রে প্রার্থীকে সুবিধা দিতে গিয়ে অনেক শিক্ষক চাকরি হারিয়েছেন। তাদের জন্য মায়া হয়। যদি কোনো শিক্ষক প্রার্থীকে সুবিধা দিতে গিয়ে নিজের চাকরি হারান, তবে সেটি হবে দুঃখজনক হবে।
কেন্দ্রে যদি কেউ জোরাজুরি করে তাহলে পুলিশকে জানাবেন। এরপরও ঠেকাতে না পারলে কেন্দ্র বন্ধ করে চলে যাবেন। পরে ভোট নেওয়া হবে। কিন্তু কোনোভাবেই জাল ভোট দিতে দেওয়া হবে না। একজনও যদি জাল ভোট দেয়, তার জন্য পোলিং অফিসার, সহকারী প্রিসাইডিং অফিসার ও প্রিসাইডিং অফিসার দায়ী থাকবেন।
তিনি বলেন, আমাদের দেশের উপর বিদেশিদের নজর আছে। তবে বাইরের কেউ আমাদের সমস্যা ঠিক কর দিতে পারবে না। ফলে আমাদের সমস্যা আমাদেরই সমাধান করতে হবে।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ার্দার, খুলনার আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবীর প্রমুখ।
এসময় তিনি আরো বলেন, কেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে ভোট বন্ধ হয়ে যাবে।
উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের উদ্দেশ্যে বলেন, পথভ্রষ্ট, অতিউৎসাহী, সন্ত্রাসীদের কোনো সুযোগ দেয়া যাবে না। কোন প্রকার অনিয়ম হলে চাকরি হারাতে হবে। কেন্দ্র দখলের চেষ্টা হলে ভোট বন্ধ করে চলে যান, লাগলে পরে ভোট নেয়া হবে।
নির্বাচন কমিশনার আরো বলেন, সঠিক লোককে তার পছন্দের মত ভোট দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। ভোট নিয়ে নানা অভিযোগ আসে। সত্য মিথ্যা দুটি অভিযোগী তদন্ত করা হবে। মিথ্যা অভিযোগ দিলে তার বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেয়া হবে।
আরও পড়ুনঃ বিয়ের আগেই ‘হানিমুনে’ আদিত্য-অনন্যা
তিনি বলেন, আমাদের দেশের উপর বিদেশীদের নজর আছে। বাইরের কেউ আমাদের সমস্যা ঠিক কর দিতে পারবে না। ফলে আমাদের সমস্যা আমাদেরই সমাধান করতে হবে।
মণিরামপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং অফিসার জাকির হোসেনের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি ছিলেন জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং অফিসার মোহাম্মদ আবরাউল হাছান মজুমদার, পুলিশ সুপার প্রলয় কুমার জোয়ারদার, খুলনা বিভাগীয় নির্বাচন কর্মকর্তা হুমায়ুন কবির।দুই দিনব্যাপী এ কর্মশালায় মণিরামপুর উপজেলার ২ হাজার ৭০০ ভোটগ্রহণ কর্মকর্তা প্রশিক্ষণ পাবেন।
আপনার মতামত লিখুন :