বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
বাংলাদেশের সমসাময়িক বিভিন্ন ইস্যু উঠে এসেছে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে। এবার এ ব্রিফিংয়ে শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে গুম সংশ্লিষ্টতা ও মার্কিন নিষেধাজ্ঞা ইস্যুতে যুক্তরাষ্ট্রের অবস্থান জানতে চাওয়া হয়েছে। এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানিয়েছে দেশটি।
স্থানীয় সময় বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে এসব বিষয় জানতে চাওয়া হয়।
ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়, সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমসে বাংলাদেশে গুম কমিশনের তদন্তের বিষয়ে একটি অনুসন্ধানমূলক প্রতিবেদন প্রকাশ করেছে। এতে সাবেক প্রধানমন্ত্রীর (শেখ হাসিনা) সংশ্লিষ্টতার প্রমাণ মিলেছে। যুক্তরাষ্ট্র আগেই জোরপূর্বক গুমের ঘটনায় জড়িতদের ওপর নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে। এ বিষয়ে আপনার কোনো মন্তব্য আছে কি না।
আর ও পড়ুনঃ ইকোপার্কটি কি পরিত্যক্ত হয়ে পড়েছে
জবাবে দপ্তরের প্রধান উপমুখপাত্র বেদান্ত প্যাটেল বলেন, গত দুই দশকে শত শত বাংলাদেশিকে জোরপূর্বক গুম করা হয়েছে। এমন প্রতিবেদনের বিষয়ে আমরা গভীরভাবে উদ্বিগ্ন। জোরপূর্বক মানবাধিকারের লঙ্ঘন এবং এটি আটক বা বন্দিরা অনির্দিষ্ট সময়ের জন্য ট্রমার ভেতর দিয়ে পার করেন। এমনকি তাদের অনিশ্চয়তার বিষয়ে পরিবারগুলোকেও ট্রমার ভেতর দিয়ে যেতে হয়। আমরা অন্তর্বর্তী সরকারের এই অপরাধের তদন্তের প্রচেষ্টাকে স্বাগত জানাই। এ ছাড়া আমরা ভিকটিম ও তাদের পরিবারের সদস্যদের জন্য ন্যায়বিচার প্রদানের জন্য ন্যায্য ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়াকে উৎসাহিত করি।
এর আগে মঙ্গলবার পররাষ্ট্র দপ্তরের ব্রিফিংয়ে প্রশ্ন করা হয়, সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার বক্তব্যের ওপর বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল নিষেধাজ্ঞা দিয়েছে। বিষয়টি সাংবিধানিক অধিকার লঙ্ঘন এবং বাকস্বাধীনতা পরিপন্থি। এ বিষয়ে আপনার মন্তব্য কী।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের ওয়েবসাইটে বলা হয়, এ বিষয়ে প্রশ্ন করা হলেও তা নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি দপ্তরের মুখপাত্র ম্যাথিউ মিলার।
আপনার মতামত লিখুন :