কিশোরগঞ্জের ভৈরবের পঞ্চবটী নতুন রাস্তায় নিখোঁজের ৬ ঘণ্টা পর সাড়ে তিন বছরের শিশু সাহালের মরদেহের সন্ধান পাওয়া গেছে। পাশের ভাড়াটিয়া হাসানের ওয়ার্ডড্রপের ড্রয়ার থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়। এই সময় হাছান মোবাইল বন্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় পুলিশ তাকে একই এলাকার আর একটি বাসা থেকে আটক করে।
নিহত সাহাল প্রবাসী বাবুল মিয়ার ছেলে। পুলিশ মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর জেনারেল হাসপাতাল মর্গে পাঠিয়েছে।আটক হাসান জিজ্ঞাসাবাদে সাহালকে শ্বাসরোধ করে হত্যার কথা স্বীকার করেছে বলে পুলিশ জানায়। পুলিশের ধারণা পরকীয়ার জের ধরে এই হত্যাকাণ্ড সংগঠিত হতে পারে।
জানা যায়, গতকাল সন্ধ্যায় মাগরিবের সময় সাহালের মা সাহালকে দুধ খাওয়ানোর জন্য খুঁজতে থাকে। ওই সময় ওই এলাকায় বিদ্যুৎ ছিল না। রাত ১০ টা পর্যন্ত তাকে খুঁজাখুঁজি করে না পেয়ে এলাকায় মাইকিং করে। থানায় গিয়ে একটি সাধারণ ডায়েরি করে। পরে পুলিশ এসে বাসায় গিয়ে পাশের বাসার ভাড়াটিয়া হাসানের রুম তালা বদ্ধ পেয়ে পুলিশের সন্দেহ হয়। পরে পুলিশ তালা ভেঙে রুমে ডুকে ওয়ারড্রপের নিচে সাহালের জুতা পাওয়া যায়। পড়ে ওয়ারড্রপের অপর ড্রয়ারের তালা ভেঙে কাপড় দিয়ে মোড়ানো সাহালের মরদেহ উদ্ধার করে থানায় নিয়ে আসে।
আরও পড়ুনঃ ডামি সরকার হওয়ার কারণে আওয়ামী লীগ এক ফুঁৎকারেই উড়ে গেছে: জামায়াত আমির
ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহিন মিয়া বলেন, রাত ১১ টার পর সাধারণ ডায়েরির সূত্র ধরে আমি সঙ্গী ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে বাড়ির পাশে কোন ডুবা না থাকায় আমরা নিশ্চিত হই। ছেলেটি আসে পাশেই আছে। এরই পাশের বাসার ভাড়াটিয়া হাসানের রুম তালা বদ্ধ পেয়ে এবং তার ফোন বন্ধ থাকায় আমাদের সন্দেহ হয়। পরে তার রুমের তালা ভেঙে আমরা তার ওয়ার্ডড্রপের ড্রয়ার থেকে কাপড়ে মোড়ানো সাহালের মরদেহ উদ্ধার করি।
মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ মর্গে পাঠানো হয়েছে। আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন আছে।
আপনার মতামত লিখুন :