নোবেল শান্তি পুরস্কার পেলেন জাতিসংঘের সাবেক মানবাধিকার প্রধান নাভি পিল্লাই
US unveils sanctions on ICC in move court condems as ‘assault on rule of law’
ব্যতিক্রমী নির্বাচনী আবহাওয়া নলবুনিয়ার ১ নম্বর ওয়ার্ডে, প্রার্থী হতে আরিফুর রহমানকে জনগণের অনুরোধ
নলছিটিতে ইভটিজিং-মাদক-অনলাইন জুয়া বন্ধে পুলিশের মতবিনিময় সভা
রাজাপুরে গাছ কাটা নিয়ে সংঘর্ষ আহত-১ , গ্রেপ্তার মা-ছেলে
বাংলাদেশে প্রায় ১৫ থেকে ২০ লাখ মানুষ মৃগীরোগে আক্রান্ত। সঠিক চিকিৎসা ও নিয়মিত ওষুধ সেবন না করায় এ রোগে দীর্ঘমেয়াদি অক্ষমতার হার বাড়ছে।বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, নিয়মিত চিকিৎসা নিলে ৯০ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃগীরোগে খিঁচুনি নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব। তবে রোগমুক্তি সম্ভব নয়। ১০ শতাংশ রোগীর ক্ষেত্রে রোগটি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয় না। কারণ, দেশে এ রোগে সার্জারির ব্যবস্থা সীমিত।
বিশ্বের অন্য দেশগুলোর মতো বাংলাদেশেও সোমবার (১২ ফেব্রুয়ারি) পালিত হচ্ছে ‘বিশ্ব মৃগীরোগ দিবস’। দিবসটির এবারের প্রতিপাদ্য ‘এপিলেপসির (মৃগীরোগ) সঙ্গে চলা ও আমার অর্জনসমূহ’। প্রতিবছর ফেব্রুয়ারি মাসের দ্বিতীয় সোমবার এ রোগের বিষয়ে সচেতনতা বাড়াতে দিবসটি পালন করা হয়।
দিবসটি উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বিএসএমএমইউ) শিশু নিউরোলজি বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ডা. গোপেন কুমার কুন্ডু বলেন, ৭০-৮০ শতাংশ ক্ষেত্রে মৃগীরোগ শুরু হয় শিশু বয়সে। নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে এ রোগ বেশি হয়। উন্নত দেশগুলোতে খুব কম।
আরও পড়ুনঃ রাজবাড়ীতে স্ত্রী হত্যার দায়ে স্বামীর যাবজ্জীবন কারাদণ্ড
তিনি আরও বলেন, জন্মের সময় নানা ধরনের সমস্যার কারণে মূলত মৃগীরোগ হয়। এরমধ্যে যে শিশু কান্না করে না বা কান্না করতে দেরি হয়, অক্সিজেনের অভাব হওয়া, ব্রেইনে আঘাতপ্রাপ্ত হওয়া, জন্মের সময় বেশি আকারে জন্ডিস অথবা জন্মের সময় খিঁচুনি শুরু হয়, এসব শিশুর মৃগীরোগ দেখা দেয়।
আপনার মতামত লিখুন :