বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সেক্রেটারি ইহসানুল করিমের মৃত্যুতে মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীরা গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন।
রোববার ১০ মার্চ রাতে এক শোকবার্তায় তারা মরহুমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং ইহসানুল করিমের শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
শোক জানানো মন্ত্রী প্রতিমন্ত্রীরা হলেন গৃহায়ন ও গণপূর্তমন্ত্রী র আ ম উবায়দুল মোকতাদির চৌধুরী, শিল্পমন্ত্রী নূরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন, সমাজকল্যাণমন্ত্রী ডা. দীপু মনি, স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মো. তাজুল ইসলাম, পরিবেশমন্ত্রী সাবের হোসেন চৌধুরী, ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত।
এছাড়া পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি ড. এ কে আব্দুল মোমেন ও আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা পরিষদের সদস্য, ১৪ দলের সমন্বয়ক ও মুখপাত্র আমির হোসেন আমুও ইহসানুল করিমের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।
আরও পড়ুন ; টাইব্রেকারের আগে কান্নায় ভেঙে পড়েছিলেন এই গোলরক্ষক।
অপরদিকে ইহসানুল করিমের মৃত্যুতে গভীর শোক জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন।
ইহসানুল করিম হেলাল রোববার রাতে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান ,ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন। তার বয়স হয়েছিল ৭৩ বছর। ইহসানুল করিমের মরদেহ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় হাসপাতালেই রাখা হয়েছে। গত বছরের ডিসেম্বর থেকে তিনি এই হাসপাতালেই চিকিৎসাধীন ছিলেন।
ইহসানুল করিম ২০১৫ সালের জুন থেকে চুক্তি ভিত্তিতে সচিব পদমর্যাদা ও বেতনক্রমে প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন। সর্বশেষ ২০২২ সালে তার চুক্তির মেয়াদ দুই বছর বাড়ানো হয়েছিল।
বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থার (বাসস) সাবেক ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইহসানুল করিম প্রধানমন্ত্রীর প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার আগে রাষ্ট্রপতির প্রেস সচিব ছিলেন।
ইহসানুল করিম ১৯৭২ সালে বাসসের নিজস্ব প্রতিবেদক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। সংবাদ সংস্থাটির বিভিন্ন পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন। ১৯৯৭ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ভারতের নয়াদিল্লিতে সংস্থাটির ব্যুরো প্রধানের দায়িত্বও পালন করেন তিনি।
এ ছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যম বিবিসি, ভারতের পিটিআই, দ্য স্টেটসম্যান ও ইন্ডিয়া টুডেসহ বিভিন্ন পত্রিকায় বাংলাদেশ প্রতিবেদক হিসেবেও কাজ করেছেন।
২০১৩ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি বাসসের প্রধান সম্পাদক ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক হিসেবে চার বছর দায়িত্ব পালনের পর অবসর নেন ইহসানুল। ওই বছরের ২০ মে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় তাকে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদের প্রেস সচিব হিসেবে নিয়োগ দেয়। ২১ মে তিনি প্রেস সচিব হিসেবে রাষ্ট্রপতির কার্যালয়ে দায়িত্ব নেন। ২০১৫ সালের জুন পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।
১৯৫১ সালের ৫ জানুয়ারি জন্ম নেয়া ইহসানুল করিম ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ থেকে স্নাতকোত্তর করেন।
আপনার মতামত লিখুন :