ইরানের সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়ের আগেই’ সম্পন্ন হয়েছে : ট্রাম্প
দেশনেত্রী ফোরামের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
ট্রাম্প না কমলা? কার জয়ে বাংলাদেশের সুবিধা। আজ ৫ নভেম্বর শুরু হয়ে গেছে যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচনী লড়াই। অনেকেই এই নির্বাচন কে ঘিরে কষছে বিভিন্ন হিসাব। অন্যান্য দেশের মত বাংলাদেশীরাও হিসাব করছে কে জয় পেলে বাংলাদেশের জন্য সুবিধা হবে।
ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে আওয়ামী লীগের কী হবে? ৫ আগস্টের পর থেকেই আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা নিজেদের নিরাপত্তা নিয়ে চিন্তিত। মব জাস্টিসের মাধ্যমেও তারা কয়েকজন নিহত হয়েছেন। অনেকে বলছে, নির্বাচনে ট্রাম্প জিতলে তার কাছে আওয়ামী লীগের পুনর্বাসনে সহায়তা চাওয়া হতে পারে। তবে এ স্বপ্ন পূরণ হবে না বলে মনে করেন দেশের কূটনীতিকরা কারণ আওয়ামী লীগের হাতে লেগে আছে হাজারো বাঙগালীর তাঁজা রক্ত।
বাংলাদেশের অন্যতম উন্নয়ন সহযোগী দেশ চীন। চীনের অর্থনীতিতে প্রভাব পড়লে তা বাংলাদেশের জন্যও হুমকির। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ওবায়দুল হক বলছেন, চীন চায় ট্রাম্প ক্ষমতায় আসুক। কারণ, ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে যুক্তরাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা সংকট দেখা দেয়। ফলে চীন শক্তিশালী বলয় তৈরি করতে পারবে। এদিকে অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ বলছেন, ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক কমলেও ভারতের সঙ্গে বন্ধুত্ব ক্রমেই বাড়বে।
আর সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির মনে করেন, ভারতের সঙ্গে কূটনৈতিক সম্পর্ক ট্রাম্প এলে বাড়বে; কিন্তু বাণিজ্যিকভাবে কিছুটা সমস্যায় পড়বে ভারত। কারণ, ট্রাম্প আগেও ক্ষমতায় এসে নিজ দেশের অর্থনীতিকেই প্রাধান্য দিয়েছেন। ট্রাম্প জিতলে চীনের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ করলে বৈশ্বিকভাবে এর প্রভাব পড়বে বলে জানান সাবেক রাষ্ট্রদূত এম সফিউল্লাহ।
আরও পড়ুন: ট্রাম্প জিতলে বাংলাদেশ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের মনোভাব কী হবে? যুক্তরাষ্ট্রের নির্বাচন
কমলা এলে কী সুবিধা বাংলাদেশের: বাংলাদেশের জন্য সুখকর হবে কে জিতলে! নির্বাচনের আগে এখন এমন প্রশ্নই ঘুরছে। তবে কূটনৈতিক ও বিশ্লেষকরা বলছেন, কমলা ক্ষমতায় এলে বেশ লাভবান হবে বাংলাদেশ। সাবেক রাষ্ট্রদূত হুমায়ুন কবির বলছেন, ডেমোক্র্যাটরা ক্ষমতায় বহাল থাকলে বাংলাদেশের সঙ্গে বর্তমানে যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে তাদের দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে, সেভাবেই থাকবে; বরং কিছু ক্ষেত্রে হয়তো সহায়তা বা চুক্তি আরও বাড়বে আশা করা যায়।
রোহিঙ্গা সংকট সমাধানেও তারা সহায়তা করবে। আর অধ্যাপক ইমতিয়াজ আহমেদ মনে করেন, কমলা ক্ষমতায় এলে ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলে সম্ভাবনা বাড়ানোতে জোর দিতে পারেন। এদিকে সাবেক আরেক রাষ্ট্রদূত এম সফিউল্লাহ বলছেন, ট্রাম্প মুসলিমবিদ্বেষী। তাই ট্রাম্প ক্ষমতায় এলে মুসলিম দেশগুলো চাপে থাকবে। তবে ডেমোক্র্যাটরা মুসলিম দেশগুলোর সঙ্গে সম্পর্ক এগিয়ে নিয়ে যায়।
আপনার মতামত লিখুন :