বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানার পর নেতানিয়াহুর ভাগ্যে এখন কী ঘটতে পারে।যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধের অভিযোগে ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু এবং তাঁর সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্টের বিরুদ্ধে শেষমেশ গ্রেপ্তারি পরোয়ানাই জারি করলেন আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত (আইসিসি)। একই পরোয়ানা জারি করা হয়েছে ফিলিস্তিনি স্বাধীনতাকামী সংগঠন হামাসের একজন শীর্ষস্থানীয় নেতার বিরুদ্ধেও।
ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরায়েলের আগ্রাসন চলার মধ্যে এই প্রথম আন্তর্জাতিক আদালত নেতানিয়াহু বা কোনো ইসরায়েলি কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পরোয়ানা জারি করলেন।
দ্য হেগে অবস্থিত আইসিসি গতকাল বৃহস্পতিবার অনলাইনে এক সিদ্ধান্তে জানান, ইসরায়েলে গত বছরের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলা এবং এর জের ধরে গাজায় দেশটির গণহত্যামূলক যুদ্ধ শুরুর ঘটনায় নেতানিয়াহু, গ্যালান্ট ও হামাসের নেতা মোহাম্মদ দেইফের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে।
আইসিসি তাঁর সিদ্ধান্তে বলেছেন, অন্তত গত বছরের ৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ২০ মে পর্যন্ত মানবতাবিরোধী ও যুদ্ধাপরাধে জড়িত থাকার অভিযোগে নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করেছেন তাঁরা। এ অভিযোগের সঙ্গে গাজার বাসিন্দাদের বিরুদ্ধে ক্ষুধাকে ব্যবহার করা ও স্বাস্থ্যসেবা–সংশ্লিষ্ট স্থাপনাকে ইচ্ছাকৃতভাবে নিশানা বানানোর বিষয়টিও যুক্ত রয়েছে।
সামনে কী ঘটতে পারে
নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের বিরুদ্ধে আইসিসির ওই পরোয়ানা জারি করার অর্থ হলো, গ্রেপ্তার হলে তাঁদের বিচারের মুখোমুখি করা হবে। তবে যতক্ষণ গ্রেপ্তার না হচ্ছেন, ততক্ষণ তাঁদের বিচার শুরু হচ্ছে না। কেননা, নেতানিয়াহু ও গ্যালান্টের অনুপস্থিতিতে তাঁদের বিচার করার এখতিয়ার এ আদালতের নেই।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবাধিকার আইনের অধ্যাপক ও ব্রিটিশ সোসাইটি ফর মিডল ইস্ট স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক নেভ গর্ডন আল–জাজিরাকে বলেন, আইসিসির কাছে এটি একটি জোরালো মামলা এবং ক্ষুধাকে গাজাবাসীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নেতাদের অস্ত্র বানানোর বিষয়টি প্রমাণ করা মোটামুটি সোজাই হবে।
গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারির খবর প্রকাশিত হওয়ার পর লন্ডনের কুইন মেরি বিশ্ববিদ্যালয়ের মানবাধিকার আইনের অধ্যাপক ও ব্রিটিশ সোসাইটি ফর মিডল ইস্ট স্টাডিজের ভাইস প্রেসিডেন্ট, রাজনৈতিক বিশ্লেষক নেভ গর্ডন আল–জাজিরাকে বলেন, আইসিসির কাছে এটি একটি জোরালো মামলা এবং ক্ষুধাকে গাজাবাসীর বিরুদ্ধে ইসরায়েলি নেতাদের অস্ত্র বানানোর বিষয়টি প্রমাণ করা মোটামুটি সোজাই হবে।
অবশ্য এ গ্রেপ্তারি পরোয়ানা ইসরায়েলের ঘনিষ্ঠ মিত্র যুক্তরাষ্ট্রে কার্যকর হবে না। দুটি দেশই এ আদালতের সদস্য না হওয়ায় পরোয়ানা মানতে বাধ্য নয়। বাস্তবেও নেতানিয়াহু ও গ্যালান্ট যুক্তরাষ্ট্র সফর করলে তাঁদের ওই আদালতের কাছে সম্ভবত তুলে দেবে না দেশটি।
আপনার মতামত লিখুন :