৯ বছর পদোন্নতি বঞ্চিত বিসিএস শিক্ষা ক্যাডার প্রভাষকেরা, প্রধানন্ত্রীর হস্তক্ষেপ কামনা
তৈরি পোশাকশিল্প মজুরি বোর্ডের প্রথম সভা আজ
প্রযুক্তিভিত্তিক সীমান্ত ব্যবস্থাপনা জাতীয় নিরাপত্তার জন্য অপরিহার্য: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
মহাকাশ গবেষণার ভবিষ্যৎ বদলে দিচ্ছেন বাংলাদেশের মাহমুদা সুলতানা
সচিবালয়ে প্রবেশ কার্ড সার্বক্ষণিক দৃশ্যমান রাখার নির্দেশ স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের
বিসিএস সাধারণ শিক্ষা ক্যাডারের প্রভাষক পদে কর্মরত প্রায় এক হাজার আটশ কর্মকর্তা দীর্ঘ সময় ধরে পদোন্নতির মুখ দেখছেন না। নিয়ম অনুযায়ী চাকরির নির্দিষ্ট সময় পূর্ণ হওয়ার পর পদোন্নতি পাওয়ার কথা থাকলেও নানা জটিলতার কারণে এই বিপুলসংখ্যক শিক্ষক একই পদে আটকে আছেন। এর ফলে বঞ্চিত কর্মকর্তাদের মধ্যে চরম হতাশা ও অসন্তোষের সৃষ্টি হয়েছে, যা তাদের পেশাগত কার্যক্রমেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে।
ভুক্তভোগী প্রভাষকেরা জানান, দীর্ঘ নয় বছর ধরে পদোন্নতি বন্ধ থাকায় তারা চরম পেশাগত বৈষম্যের শিকার হচ্ছেন। ব্যাচভিত্তিক পদোন্নতি নিয়মিত না হওয়ায় অনেক জুনিয়র কর্মকর্তা অন্য ক্যাডারে কাঙ্ক্ষিত পদে উন্নীত হলেও শিক্ষা ক্যাডারের এই কর্মকর্তারা একই পদে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছেন। দীর্ঘদিন একই পদে আটকে থাকায় তাদের ক্যারিয়ারের অগ্রগতি স্থবির হয়ে পড়েছে এবং তাদের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি মানসিক অবসাদ তৈরি হয়েছে।
এই সংকট নিরসনে এবং দ্রুত পদোন্নতি নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে বারবার আবেদন জানিয়েও কোনো সুফল পাওয়া যায়নি বলে অভিযোগ করেন ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষকেরা। প্রশাসনিক দীর্ঘসূত্রতা ও বিভিন্ন নীতিগত জটিলতার অজুহাতে তাদের ফাইলগুলো বছরের পর বছর আটকে রাখা হয়েছে। অথচ দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার মান উন্নয়নে এই ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হওয়া সত্ত্বেও তাদের ন্যায়সংগত অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখা হচ্ছে।
এমন পরিস্থিতিতে এই জট কাটিয়ে উঠতে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সরাসরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী প্রভাষকেরা। তারা আশা প্রকাশ করেছেন যে, সরকারের সর্বোচ্চ পর্যায় থেকে নির্দেশনা আসলে এই দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে এবং দ্রুত পদোন্নতির প্রক্রিয়া শুরু হবে। অবিলম্বে এই সমস্যার সমাধান না হলে শিক্ষা খাতে এর আরও সুদূরপ্রসারী নেতিবাচক প্রভাব পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
আপনার মতামত লিখুন :