ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সোহাগ ভূঁইয়া
ফেনীতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ফেনীতে চিকিৎসকের ভুলে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন
ফেনীতে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যার আসামি সাইফুল গ্রেফতার
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, বিশাল সমুদ্রসীমায় অধিকার প্রতিষ্ঠায় কেউ কোনো রকম উদ্যোগ নেয়নি। যেটা আমরা নিয়েছে। মূলত দেশের মানুষের আর্থ-সামাজিক উন্নয়ন করাই আমাদের লক্ষ্য।
আজ বৃহস্পতিবার (২২ই ফেব্রুয়ারি) জাতির পিতা প্রণীত ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’-এর সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন তিনি।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের সমুদ্রসীমা নির্ধারণের জন্য ১৯৭৫ সালের পরবর্তী সরকারগুলো কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। জাতির পিতা যেখানে রেখে গিয়েছিলেন, সেখানেই পড়েছিল। সকলের সঙ্গে বন্ধুত্ব কারও সঙ্গে বৈরিতা নয়। সে নীতি নিয়েই আমরা কাজ করি। পাশাপাশি আমাদের অধিকার যাতে প্রতিষ্ঠিত হয়, সে উদ্যোগ নিয়েছি।
তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু শুধু একটি রাষ্ট্রই দিয়ে যাননি, একই সাথে নিরবচ্ছিন্ন বাণিজ্যিক যোগাযোগ ও সমুদ্রসীমার গুরুত্ব নিশ্চিত করতে ১৯৭৪ সালে ‘দ্য টেরিটোরিয়াল ওয়াটারস অ্যান্ড মেরিটাইম জোন অ্যাক্ট-১৯৭৪’ প্রণয়ন করে গেছেন। তখনও কিন্তু জাতিসংঘ এ ধরনের আইন বা নীতিমালা করেনি।
বিশাল সমুদ্রসীমায় বাংলাদেশের কোনো অধিকার ছিল না জানিয়ে শেখ হাসিনা বলেন, ১৯৭৫ সালে জাতির পিতাকে হত্যা করে সংবিধান লঙ্ঘন করে, যারা ক্ষমতায় এসেছিল, ২১টা বছর তারা সমুদ্রসীমার অধিকার নিয়ে কোনো কথা বলেনি। অবৈধভাবে ক্ষমতায় আসা কোনো সরকার, বিশাল সমুদ্রসীমায় অধিকার প্রতিষ্ঠায় কোনো রকম উদ্যোগও নেয়নি। শুধু সমুদ্রসীমা নয়, স্থলসীমা চুক্তিও তিনি (বঙ্গবন্ধু) করে গেছেন। পরবর্তীতে সেটা আর কার্যকর করা হয়নি। পরবর্তীতে আমরা যখন সরকারে আসি, সে বিষয়গুলো নিয়ে কাজ শুরু করি। তবে কাজগুলো করা হয় খুব গোপনীয়তার সঙ্গে।
তিনি আরও বলেন, সমুদ্রসীমা নিষ্পত্তিতে আমরা ১৯৯৬ সালে সরকারে আসার পর তথ্য উপাত্ত সংগ্রহ করলেও পরবর্তী সরকার আর কোনো উদ্যোগ নেয়নি। ৮ বছর সময় নষ্ট করা হয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার আবার ক্ষমতায় আসার পর অক্লান্ত প্রচেষ্টার মাধ্যমে সমুদ্রসীমা জয় করে। আমরা যে, সম্ভাবনাময় সুবিশাল অর্থনৈতিক এলাকা পেলাম, যা আমাদের দেশের অর্থনীতিতে ভূমিকা রাখছে।
আরও পড়ুনঃ একুশের প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রীর শ্রদ্ধা
শেখ হাসিনা বলেন, ভারত মহাসাগরের ভেতরেই আমাদের বঙ্গোপসাগর। প্রাচীনকাল থেকেই এখানে বিশ্বের সকল ব্যবসা বাণিজ্য চলমান, এই সামুদ্রিক পথ সকল দেশ সমানভাবে ব্যবহার করছে, কোনোদিন কোনো রকম দ্বন্দ্ব এ অঞ্চলে হয়নি। আমরা সব সময় এটাই চাইব, এ অঞ্চলে যে ব্যবসা-বাণিজ্য চলে, সেটা যেন সংঘাতপূর্ণ না হয়, শান্তিপূর্ণ বাণিজ্য পথ হিসেবেই চলমান থাকবে।
সমুদ্রের তলদেশ থেকে তেল-গ্যাস উত্তোলনে আলাপ-আলোচনা চলছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, আন্তর্জাতিক টেন্ডারও দিয়েছি। বাংলাদেশে বিদেশি বিনিয়োগের আহ্বান জানানো হয়েছে-এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, যারাই বিনিয়োগ করবেন, তারা লাভবান হবেন।
আপনার মতামত লিখুন :