বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
একটি নম্বরবিহীন হায়েস মাক্রোবাসে (ইঞ্জিন নং ০৪৪৭১৩৩) ওই ছাত্রদল নেতাদের তুলে নেওয়া হয়। আটকদের বিষয়ে আজ রোববার বিস্তারিত জানা যেতে পারে বলে একটি গোয়েন্দা সূত্র যুগান্তরকে জানিয়েছে।
সরকার পতনের একদফা দাবিতে চলমান আন্দোলন কর্মসূচি শুরুর পর থেকে বিএনপি, ছাত্রদল, যুবদল এবং স্বেচ্ছাসেবক দলসহ সরকারবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলোর নেতাকর্মীকে সাদা পোশাকে গোয়েন্দা পরিচয়ে তুলে নেওয়ার একের পর এক অভিযোগ আসছে। যাদের তুলে নেওয়া হচ্ছে বলে বলা হচ্ছে, পরে বিভিন্ন মামলায় তাদের আদালতে হাজির করা হচ্ছে। সবশেষ আজিমপুর থেকে তুলে নেওয়া নেতাকর্মীদেরও আদালতে হাজির করা হতে পারে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।
ঢাকা মহানগর পুলিশের অতিরিক্ত কমিশনার ড. খন্দকার মহিদ উদ্দিন যুগান্তরকে বলেন, এ বিষয়ে তার কিছুই জানা নেই। বিস্তারিত জানতে তিনি ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বলেন। ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা (ডিবি) পুলিশের যুগ্ম কমিশনার সঞ্জিত কুমার রায় বলেন, এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। জেনে পরে জানাতে পারব।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অতীতের দুটি জাতীয় সংসদ নির্বাচনে বিরোধী দলের নেতাকর্মীদের গণহারে গ্রেফতারের নির্দেশনা ছিল। এবার এ ধরনের নির্দেশনা নেই। তাই গ্রেফতারের ক্ষেত্রে কৌশলে এগোচ্ছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা। যাদের নামে মামলা আছে, বা যারা ওয়ারেন্টের আসামি তাদের কোনো ছাড় দিচ্ছে না পুলিশ। আটকের পর ভালোভাবে যাচাই শেষেই তাদের আদালতে হাজির করা হচ্ছে। আগের মামলা বা ওয়ারেন্ট না থাকলেও নতুন কোনো ঘটনায় জড়িত থাকার সুনির্দিষ্ট তথ্য থাকলেও তাকে গ্রেফতার করা হচ্ছে। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে যারা সক্রিয় রয়েছেন তাদের শনাক্তেও কাজ করছে পুলিশের সাইবার ক্রাইম বিভাগ।
বিএনপি সূত্রে জানা গেছে, আইনপ্রয়োগকারী সংস্থার সদস্যদের কৌশলী ভূমিকায় আতঙ্কে আছেন সংগঠনের হিটার কর্মীরা। সিসি ক্যামেরা ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রচারিত ভিডিও ফুটেজ এবং স্টিল ছবি দেখে শনাক্ত করা হচ্ছে নেতাকর্মীদের। ছাত্র-যুব ও স্বেচ্ছাসেবক দলের কর্মীরা রয়েছেন এ তালিকায়। এ কারণে অনেকে গা ঢাকা দিয়েছেন। এসব নেতাকর্মীর অনেকেই বিদেশি সিম ব্যবহার করছেন। এতে প্রথম তাদের গতিবিধি বুঝতে পুলিশের বেগ পেতে হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ সাঈদীর মৃত্যুতে শোক, ফেনী ছাত্রলীগের ২০ নেতাকর্মী বহিষ্কার
দুবাই, কুয়েত ও সিঙ্গাপুরের সিম ব্যবহার করে অনেক নেতা দেশে বসে কর্মীদের নির্দেশনা দিচ্ছেন বলে পুলিশ জানিয়েছে। ডিএমপির দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তা বলেন, সামনের দিনগুলোতে আলোচনায় আসার জন্য দলের অনেক নেতা মারমুখী ভূমিকায় থাকবেন বলে তথ্য পাওয়া গেছে। এ কারণে ওইসব নেতাদের অনুসারীদের নজরদারিতে আনা হয়েছে। তাদের গতিবিধি পর্যালোচনা করা হচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :