বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
জুয়াখেলা কেন্দ্র করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া শহরতলীর নাটাই উত্তর ইউনিয়নের বিরাসার গ্রামে প্রভাব শালী একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশসহ অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছে। মঙ্গলবার (৫ মার্চ) সকাল থেকেই থেমে থেমে এই সংঘর্ষ চলছে। সংঘর্ষ চলাকালে ১০টি বাড়িঘরে অগ্নিসংযোগ ও অন্তত ৩০টি বাড়িঘরে লুটপাট করা হয়।
পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানায়, রোববার (৩ মার্চ) দিবাগত রাত ১টার দিকে বিরাশার পশ্চিমপাড়া এলাকায় জুয়াখেলা কেন্দ্র করে বড়গোষ্ঠীর কাশেম মাস্টার, বাবুল মিয়ার গোষ্ঠীর সদস্য আল আমিনের সঙ্গে একই এলাকার মহাজোট গোষ্ঠী হিসেবে পরিচিত তাজ মোহাম্মদ ইয়াছিন ও দুলাল আনসারী গোষ্ঠীর সদস্য নুরুল্লা ও সুজনের সাথে আল আমিনের সঙ্গে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে তাদের মধ্যে হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। পরে এ নিয়ে সোমবার (৪ মার্চ) সকালে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।
মঙ্গলবার সকালে দুই পক্ষই দেশীয় অস্ত্রশস্ত্রের পাশাপাশি আগ্নেয়াস্ত্র রিভলভার ও ককটেল নিয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। প্রায় আড়াই ঘণ্টাব্যাপী দফায় দফায় সংঘর্ষে পুলিশসহ আহত হয় অন্তত ৩০ জন আহত হয়। এ সময় আগুনে পুড়িয়ে দেয়া হয় অন্তত ১০টি বাড়ি ঘর। লুটপাট ভাঙচুর করা হয় আরো অন্তত ৩০টি বাড়িঘর। এদিকে খবর পেয়ে নাটাই উত্তর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ ও নাটাই উত্তর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মো. আবুল কাশেমসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা ঘটনা স্থলে ছুটে আসেন।
এ সময় চেয়ারম্যান মো. আবু সাঈদ সাংবাদিকদের জানান, জুয়াখেলার ঘটনা নিয়ে একাধিক গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয়। সোমবার সংঘর্ষের ঘটনার বিষয়টি তারা স্থানীয়ভাবে মীমাংসার চেষ্টা করেছিলেন, কিন্তু ব্যর্থ হন। মঙ্গলবার কয়েক ভাবে বিভক্ত হয়ে সংঘর্ষে লিপ্ত হয়। এতে পুলিশসহ অনেকে আহত হন বলে জানান তিনি। তিনি ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের বিচার দাবি করেন।
আরও পড়ুনঃ কর্ণফুলীর চিনিকলের আগুন নেভাতে কাজ করছে ১০টি ইউনিট
এদিকে আড়াই ঘণ্টার বেশি সংঘর্ষের খবর পেয়ে ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশসহ অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। এ সময় দাঙ্গাবাজদের হামলায় ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর থানা পুলিশের ইন্সপেক্টর (অপারেশন) মো. সোহেলসহ ৪ পুলিশ সদস্য ও উভয়পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়।
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. বিল্লাল হোসেন জানায়, তারা খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে সংঘর্ষ নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করেন। তিনি জানান, পুলিশ ঘটনাস্থল থেকে ৫ রাউন্ড গুলি ও একটি বিদেশি পিস্তল সহ দুজনকে আটক করেছেন।
এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত থেমে থেমে সংঘর্ষ চলছিল। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো মামলা হয়নি।
আপনার মতামত লিখুন :