ঢাকা দক্ষিণ যুবদলের সাধারণ সম্পাদক পদে আলোচনায় সোহাগ ভূঁইয়া
ফেনীতে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
ফেনীতে চিকিৎসকের ভুলে প্রসূতির মৃত্যুর ঘটনায় ফাঁসির দাবিতে মানববন্ধন
৭,০০০ মিলিঅ্যাম্পিয়ার ব্যাটারির স্মার্টফোন সি১০০আই আনল রিয়েলমি, এক চার্জে চলবে তিনদিন
ফেনীতে প্রবাসীর স্ত্রী হত্যার আসামি সাইফুল গ্রেফতার
বৃহত্তর কুমিল্লার প্রথম শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয় ভিক্টোরিয়া সরকারি কলেজে। ১৯৫৩ সালে উচ্চ মাধ্যমিক শাখায় এ শহীদ মিনার স্থাপন করা হয়। রাতের আঁধারে নির্মাণ করা হয় এ শহীদ মিনার।
কলেজ সূত্রমতে, ১৯৫৩ সাল থেকে ১৯৬২সাল পর্যন্ত অস্থায়ী শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা জানানো হতো। ১৯৬৩ সালে পাকিস্তানি শাসকদের বৈরিতা উপেক্ষা করে একটি স্থায়ী শহীদ মিনার নির্মাণ করা হয়। শহীদ মিনারের কালো স্তম্ভটি ১৯৬৩ সালে নির্মাণ করা হয়েছে। ১৯৭১ সালে মুক্তিযুদ্ধ চলাকালীন সময় পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী তা ভেঙ্গে ফেলার নির্দেশ দেয়। তৎকালীন অধ্যক্ষ মো. সিরাজুল ইসলাম শহীদ মিনারটি বর্তমান বিজ্ঞান ভবন সংলগ্ন পুকুরে (এখন ভরাটকৃত) তা সংরক্ষণ করেন। দেশ স্বাধীনের পর ১৯৭২ সালের ফেব্রুয়ারি মাসে তা পুকুর থেকে উত্তোলন করে কলেজ উচ্চমাধ্যমিক শাখা ফটকের সামনে বর্তমান স্থানে স্থাপন করা হয়েছে।
আরও পড়ুনঃ জান্তা সরকার রাখাইনে মুসলিমদের হাতে অস্ত্র তুলে দিতে চায়
কলেজের বাংলা বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ও শিক্ষক পরিষদ সম্পাদক মোহাম্মদ শাহজাহান গণমাধ্যমকে জানান, ১৯৮৮ সালে কুমিল্লা টাউন হল মাঠ সংলগ্ন কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার তৈরি করা হয়। এর পূর্বে ভিক্টোরিয়া কলেজ শহীদ মিনারটিকে কুমিল্লার সর্বস্তরের মানুষ কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার হিসাবে সংস্কৃতি চর্চার কেন্দ্র বিন্দু হিসাবে ছিলো। ২০১০ সালে ডিগ্রি শাখার কলা ভবনের সামনে প্রশস্ত জায়গা নিয়ে আরেকটি শহীদ মিনার তৈরি করা হয়েছে। ২০১৬ সালে উচ্চ মাধ্যমিক শাখার শহীদ মিনারটিকে মূল স্তম্ভ অবিকৃত রেখে সংস্কার করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :