বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
বিশ্বকাপ জিতেছেন। জিতেছেন কোপা আমেরিকাও। অর্থাৎ দেশের হয়ে বৈশ্বিক ও মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের শিরোপা জেতা হয়েছে। সেখানে আবার সেরা গোলকিপারও হয়েছেন। জিতেছেন গোলকিপারদের ব্যালন ডি’অর এবং ফিফা ‘বেস্ট’ও। ওদিকে গত সেপ্টেম্বরেই বয়সটা ৩২ ছুঁয়েছে। প্রশ্নটি তাই উঠেই যায়—এমিলিয়ানো মার্তিনেজ অবসর নেবেন কবে? ক্লাব ফুটবলে বড় কিছু এখনো জিততে না-ই পারেন, দেশের হয়ে অর্জনের প্রায় কোনো কিছুই তো বাকি নেই!
মার্তিনেজ প্রশ্নটির উত্তর দিয়েছেন। সে উত্তরে মানুষ হিসেবে তাঁর ধরনটা আবারও বেরিয়ে আসে। পোস্টের নিচে নিরেট দেয়াল হলেও বাইরে আসলে রসিকতাপ্রিয় এবং মজার মানুষ। মজার ছলেই ‘দিবু’ বলেছেন, অবশ্যই তিনি অবসর নেবেন। সে জন্য অবশ্য ২০২৬ বিশ্বকাপটা জিততে হবে।কাতারে আর্জেন্টিনার ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ের দুই বছর পূর্তি ছিল গতকাল। এ উপলক্ষে আর্জেন্টিনা ফুটবল অ্যাসোসিয়েশন (এএফএফ) তাদের এএফএ এস্তুদিও একটি ভিডিও প্রকাশ করেছে, যা দেখা যাচ্ছে ‘এএফএ এস্তুদিও’ ইউটিউব চ্যানেলে।
আর ও পড়ুনঃ বাবরসহ ছয়জন খালাস পরেশের যাবজ্জীবন
আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপজয়ী সেই দলের কয়েকজন সতীর্থ মিলে বসেছিলেন সর্বশেষ বিশ্বকাপ জয়ের স্মৃতিচারণায়। মার্তিনেজের সঙ্গে ছিলেন এনজো ফার্নান্দেজ, অ্যালেক্সিস ম্যাক অ্যালিস্টার, গঞ্জালো মন্তিয়েল ও লাওতারো মার্তিনেজ। অ্যাস্টন ভিলা গোলকিপার মার্তিনেজ সেখানেই নিজের অবসর নিয়ে কথা বলেন।মার্তিনেজ প্রথমে জানতে চান, ‘এমন কোনো দল আছে, যারা টানা দুবার বিশ্বকাপ জিতেছে?’ এরপর মার্তিনেজ নিশ্চিত করেন, ২০২৬ বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে তিনি সেটা করতে পারলে অবসর নেবেন, ‘আমি অবসর নেব, প্রতিশ্রুতি দিচ্ছি।’
ইতালি ও ব্রাজিল টানা দুবার বিশ্বকাপ জিতেছে। ১৯৩৪ ও ১৯৩৮ বিশ্বকাপ জিতেছে ইতালি। ব্রাজিল জিতেছে ১৯৫৮ ও ১৯৬২ বিশ্বকাপ।
কাতারে বিশ্বকাপ ফাইনালে নির্ধারিত সময়ে ৩-৩ গোলে সমতায় থাকতে একদম শেষ দিকে ফ্রান্সের কোলো মুয়ানির শট অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন মার্তিনেজ। এ নিয়ে অনেক আলোচনা হলেও মার্তিনেজ সেই সেভ নিয়ে সতীর্থদের সামনে নতুন তথ্য দিলেন, ‘শপথ করে বলছি, আমি ওটার চেয়ে আরও ভালো সেভ করেছি। ওটার ক্ষেত্রে আমি চোখ বন্ধ করে (মনে মনে) বলেছিলাম, আমার মাথাটা উড়িয়ে দাও।’ মার্তিনেজ এরপর ব্যাখ্যা করেন, ‘আমি আড়াআড়িভাবে (কোলো মুয়ানির) সামনে এসে দাঁড়াই। বলটা বাউন্স করায় আমি হাত বাড়াই। সাধারণত আমি হাত নামিয়েই রাখি।’
মার্তিনেজ এবার ফিফা ‘বেস্ট’ পুরস্কারে বর্ষসেরা গোলকিপারের ট্রফি জিতেছেন। ২০২২ সালেও একই পুরস্কার জিতেছিলেন। এ বছর এবং গত বছর জিতেছেন ব্যালন ডি’অরে সেরা গোলকিপারের পুরস্কার (লেভ ইয়াশিন ট্রফি)।
আপনার মতামত লিখুন :