‘মোদিকে পালাতে দেওয়া হবে না’, বিজেপির বিরুদ্ধে ভোট চুরির অভিযোগ বিরোধীদের
ব্যবসা সহজ করতে নিয়ন্ত্রণ কমানো হচ্ছে ১০৭ ক্ষেত্রে
৪ নভেম্বর থেকে সারা দেশে তিন দিন গ্যাস সরবরাহ কেন কম থাকবে জানাল পেট্রোবাংলা
বিশ্ববাজারে কমল জ্বালানি তেলের দাম
মোটরসাইকেল ভেদে পরিবর্তন করা যাবে সামনের নম্বরপ্লেটের নকশা, বিধি মালা সংশোধন
অভাব-অনটনকে পেছনে ফেলে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষায় অসামান্য ফলাফল অর্জন করেছেন মো. আরাফাত। এলাকার মানুষের কাছে তিনি কেবল একজন দিনমজুর হিসেবেই পরিচিত ছিলেন, যিনি পেটের টানে কায়িক পরিশ্রম করতেন। তবে সকল প্রতিকূলতাকে জয় করে তিনি এবার পরীক্ষায় জিপিএ-৫ অর্জন করেছেন, যা স্থানীয়বাসীর মধ্যে দারুণ আনন্দের সৃষ্টি করেছে।
পরিবারের বড় ছেলেকে হারাতে হয়েছে অনেক আগেই। জীবিকার তাগিদে এবং সংসারের হাল ধরতে পড়াশোনার পাশাপাশি কঠোর পরিশ্রম করতে হয়েছে তাকে। প্রতিদিনের শারীরিক পরিশ্রান্তির পরও বইয়ের সঙ্গে তার গভীর মিতালি ছিল অটুট। একটু সুযোগ পেলেই তিনি পড়াশোনায় মন দিতেন, যা তার এই সাফল্যের পেছনে সবচেয়ে বড় ভূমিকা রেখেছে।
আরাফাতের এই সাফল্যে তার পরিবার ও শিক্ষকরা অত্যন্ত আনন্দিত। তারা জানান, নানা ধরনের সামাজিক ও আর্থিক সংকট মোকাবিলা করে আরাফাত যে ধৈর্য ও মেধার পরিচয় দিয়েছেন, তা সত্যিই অনুপ্রেরণাদায়ক। তার এই অর্জন শুধু ব্যক্তিগত সাফল্য নয়, বরং আশপাশের বহু তরুণের জন্য একটি দারুণ দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে।
উচ্চশিক্ষার পথচলা বেশ দীর্ঘ এবং কণ্টকাকীর্ণ হলেও আরাফাত নিজের লক্ষ্য থেকে সরে দাঁড়াতে চান না। সমাজের বিত্তবান ও সহানুভূতিশীল মানুষ পাশে দাঁড়ালে তিনি তার উচ্চশিক্ষা নিশ্চিত করতে পারবেন বলে আশা প্রকাশ করেছেন। অদম্য এই তরুণ প্রমাণ করেছেন যে, প্রবল ইচ্ছা থাকলে অভাবের বেড়াজাল ভেঙেও সফলতার শিখরে পৌঁছানো সম্ভব।
আপনার মতামত লিখুন :