১০ বছরেও শেখ হাসিনার দেশে ফেরার সম্ভাবনা নেই: ভোলায় স্পিকার
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আ.লীগের সঙ্গে জামায়াতের সম্পর্ক থাকার প্রমাণ আছে
মোংলায় বানৌজাতে পৌঁছেছেন প্রধানমন্ত্রী
জাতীয়তাবাদী শক্তি ক্ষমতায় থাকলে হিন্দু সম্প্রদায় ধর্মীয় উৎসব নির্বিঘ্নে পালন করে: তথ্যমন্ত্রী
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে স্কুল ছুটি, নভেম্বরের শুরুতে মিলছে টানা তিন দিনের ছুটি
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বাগেরহাটের মোংলায় বাংলাদেশ নৌবাহিনীর নির্ধারিত ঘাঁটি বানৌজায় এসে পৌঁছেছেন। নির্ধারিত কর্মসূচি অনুযায়ী নির্ধারিত দিনে দুপুর ১২টা ৫৫ মিনিটে নৌপথে তিনি বানৌজা মোংলার জেটিতে এসে পৌঁছান। এর আগে সকালে তিনি ঢাকা থেকে আকাশপথে সুন্দরবনের উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং আকাশ থেকেই হিরণ পয়েন্টসহ সমগ্র সুন্দরবন এলাকা পরিদর্শন করেন। সুন্দরবন পরিদর্শন শেষে তাঁর বহনকারী হেলিকপ্টারটি খুলনার দাকোপ উপজেলার নলিয়ান মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে অবতরণ করে এবং সেখান থেকে তিনি নৌপথে মোংলা নৌঘাঁটিতে উপস্থিত হন।
নৌঘাঁটিতে পৌঁছানোর পর প্রধানমন্ত্রীর ব্যস্ততম সফরসূচি শুরু হয়, যার অংশ হিসেবে তিনি স্থানীয় কর্মকর্তাদের সঙ্গে একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে অংশ নেন। দুপুর ১টা ৪৫ মিনিটে বানৌজার ওয়ার্ডরুমের সভাকক্ষে আয়োজিত এই সভায় খুলনা বিভাগের বিভাগীয় কমিশনারসহ খুলনা ও বাগেরহাটের জেলা প্রশাসকেরা উপস্থিত ছিলেন। এই বৈঠকে অঞ্চলের বিভিন্ন প্রশাসনিক কার্যক্রম ও উন্নয়নমূলক বিষয় নিয়ে আলোচনা হওয়ার কথা রয়েছে। সভা শেষে তিনি মোংলা বন্দর জেটি এবং প্রস্তাবিত বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষের (বেজা) অর্থনৈতিক অঞ্চল পরিদর্শনের উদ্দেশ্যে রওনা দেন।
প্রধানমন্ত্রীর এই সফরকে কেন্দ্র করে মোংলা ও এর আশেপাশের পুরো এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। স্থানীয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সমন্বয়ে সেখানে একটি নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয় গড়ে তোলা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর নির্ধারিত পরিদর্শনস্থলগুলোতে সাধারণ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর পাশাপাশি প্রেসিডেন্ট গার্ড রেজিমেন্ট বা পিজিআর সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এছাড়া সাদা পোশাকে গোয়েন্দা নজরদারির পাশাপাশি নৌবাহিনী, কোস্টগার্ড ও পুলিশ সদস্যরা নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত রয়েছেন।
প্রশাসনিক সূত্র জানিয়েছে যে প্রধানমন্ত্রীর এবারের এই সফরটি সম্পূর্ণভাবে সরকারি ও প্রশাসনিক কাজের অংশ, কোনো রাজনৈতিক কর্মসূচি নয়। ফলে এই সফরে নির্ধারিত স্থানগুলোতে রাজনৈতিক নেতাকর্মীদের উপস্থিতি সীমিত রাখা হয়েছে। মূলত সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা এবং নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত সদস্যরা সেখানে উপস্থিত রয়েছেন। দিনব্যাপী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থান পরিদর্শন ও সভা শেষে বিকেল ৪টায় তিনি হেলিকপ্টারে করে ঢাকার উদ্দেশ্যে রওনা হন এবং বিকেল ৫টার দিকে ঢাকায় পৌঁছানোর কথা রয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :