কক্সবাজারে অপ্রাপ্তবয়স্কদের হোটেল ভাড়া দিলেই ব্যবস্থা, বললেন নারী সংসদ সদস্য
পর্যটনশিল্পের উন্নয়নে ওয়ান স্টপ সার্ভিস সেন্টার চান ব্যবসায়ীরা
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের রূপরেখা নিয়ে নতুন ‘আইডিয়া’ সংবিধান সংশোধন কমিটিতে
নারীর বিরুদ্ধে অপরাধে অভিযুক্ত জনপ্রতিনিধির সংখ্যায় শীর্ষে পশ্চিমবঙ্গ
সাফিয়া সাথীর সফল ফ্যাশন ডিজাইনার ও উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার গল্প | লিগ্যাসি উইথ এমআরএইচ | পর্ব–১১
ব্রাহ্মণবাড়িয়ার সরাইল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা বা ওসির সঙ্গে সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানার উত্তপ্ত বাক্যবিনিময় ও বাদানুবাদের ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন আলোচনার সৃষ্টি হয়েছে। এই ঘটনার জেরে ইতোমধ্যে পুলিশের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি বা জিডি করা হয়েছে, যা নিয়ে গণমাধ্যম ও সাধারণ মানুষের মধ্যে কৌতূহল তৈরি হয়েছে। মূলত থানা কম্পাউন্ডে প্রশাসনের দায়িত্বশীল এক কর্মকর্তার সঙ্গে একজন সংসদ সদস্যের এমন আচরণ নিয়ে নানা মহলে মিশ্র প্রতিক্রিয়া লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
এই সার্বিক পরিস্থিতিতে নিজের অবস্থান পরিষ্কার করে একটি লিখিত বক্তব্য গণমাধ্যমের কাছে পাঠিয়েছেন সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা। তাঁর ব্যক্তিগত সহকারীর মাধ্যমে পাঠানো ওই বক্তব্যে তিনি সরাইল থানার ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো ধরনের মামলা দায়ের করা হলে, সেখানে যেন তাঁকে প্রধান আসামি করা হয়—এমন প্রকাশ্য দাবি জানিয়েছেন। মূলত পুলিশের এই জিডির বিপরীতে নিজের প্রতিবাদ ও দৃঢ় অবস্থান জানান দিতেই তিনি এমন মন্তব্য করেছেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।
এর আগে পুলিশ সুপারের কাছে সরাইল থানার ওসির বিরুদ্ধে একটি আনুষ্ঠানিক অভিযোগপত্র দাখিল করা হয়েছে বলে জানান রুমিন ফারহানা। প্রশাসনের নিয়ম ও প্রাতিষ্ঠানিক কাঠামোর প্রতি সম্মান প্রদর্শন করে তিনি বর্তমানে যথাযথ পদক্ষেপের জন্য কিছুটা সময় অপেক্ষা করছেন বলে উল্লেখ করেন। তবে দাখিল করা অভিযোগের ভিত্তিতে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার বিরুদ্ধে যদি কাঙ্ক্ষিত ব্যবস্থা গ্রহণ করা না হয়, তবে তিনি ভবিষ্যতে কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবেন বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন।
এদিকে পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, সম্প্রতি ঘটে যাওয়া অনভিপ্রেত পরিস্থিতি এবং বাকবিতণ্ডার সুনির্দিষ্ট বিবরণ উল্লেখ করেই সরাইল থানায় ওই সাধারণ ডায়েরিটি নথিভুক্ত করা হয়েছে। পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা একে কোনো আনুষ্ঠানিক অভিযোগ হিসেবে দেখছেন না, বরং পরবর্তীতে আইনি সুরক্ষার স্বার্থে একটি নিয়মিত প্রক্রিয়া হিসেবেই জিডিটি করে রাখা হয়েছে। এর আগে দুর্গাপূজার মণ্ডপ পরিদর্শনকালে নিরাপত্তা না পাওয়া এবং বিভিন্ন অনিয়ম-দুর্নীতির সুনির্দিষ্ট অভিযোগ নিয়ে সরাইল থানায় হাজির হয়ে ওসির মুখোমুখি হয়েছিলেন এই সংসদ সদস্য।
আপনার মতামত লিখুন :