পোশাকশিল্পের অস্থিরতা নিয়ন্ত্রণে এসেছে: বাণিজ্যমন্ত্রী
বন্ধ এলএনজি টার্মিনাল চালু, গ্যাসের সরবরাহ বাড়ছে
মানসিক রোগীর চরিত্র আর মারধরের অভিযোগ: বিরোধে জড়ানো দুই অভিনেত্রী ফ্যাশন দ্বৈরথেও কম যান না
বিএনপির কর্মসূচিতে বেজে উঠল শেখ হাসিনাকে নিয়ে লেখা গান
ঘুমিয়ে মিলল ১২ লাখ ৬৫ হাজার টাকা, ফ্রিতে ছুটি কাটানোর সুযোগ
তৈরি পোশাক শিল্পে সম্প্রতি ঘটে যাওয়া শ্রমিক অসন্তোষের বিষয় নিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেছেন বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির এমপি। তিনি জানিয়েছেন, এ ধরনের অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতিতে কারখানা মালিক পক্ষ, বিদেশি বিনিয়োগকারী এবং আন্তর্জাতিক ক্রেতাদের মাঝে সাময়িক উদ্বেগ সৃষ্টি হওয়া খুবই স্বাভাবিক। তবে সরকারের সময়োপযোগী পদক্ষেপে ইতোমধ্যে কয়েকদিনের সেই অস্থিরতা সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে চলে এসেছে।
সিলেট নগরীর জেলা শিল্পকলা একাডেমিতে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠান শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে মন্ত্রী এই মন্তব্য করেন। এ সময় তিনি আরও উল্লেখ করেন যে শ্রমিকদের ন্যায্য পাওনা ও জীবনযাত্রার মান নিশ্চিত করতে ইতোমধ্যে একটি নতুন মজুরি বোর্ড গঠন করা হয়েছে। এই বোর্ড সামগ্রিক পরিস্থিতি বিচার-বিশ্লেষণ করে শ্রমিকদের জন্য একটি উপযুক্ত ও বাস্তবসম্মত মজুরি কাঠামো নির্ধারণ করবে।
বিনিয়োগের ওপর এই অস্থিরতার দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী জানান যে কেবল কয়েক দিনের বিচ্ছিন্ন পরিস্থিতির ওপর ভিত্তি করে কোনো বিদেশি বিনিয়োগকারী চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেন না। জ্বালানি সরবরাহ নিশ্চিতকরণ, ব্যবসা পরিচালনার সহজতা, বিরোধ নিষ্পত্তির সুযোগ এবং সরকারি নীতির দীর্ঘমেয়াদি স্থিতিশীলতাসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দিক বিবেচনা করেই তাঁরা বিনিয়োগের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নিয়ে থাকেন।
এ ছাড়া সীমান্তবর্তী এলাকার হাটগুলো পুনরায় চালু করা এবং দেশের স্থলবন্দরগুলোর পূর্ণ সক্ষমতা ব্যবহারের বিষয়ে মন্ত্রী জানান যে এই কার্যক্রমগুলো সম্পূর্ণভাবে দুই দেশের পারস্পরিক সহযোগিতার ওপর নির্ভরশীল। বাংলাদেশের পক্ষ থেকে আন্তরিকতা থাকার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট প্রতিবেশী দেশের সক্রিয় আগ্রহ ও সহযোগিতার প্রয়োজন রয়েছে। উভয় দেশের সম্মিলিত ও আন্তরিক উদ্যোগের মাধ্যমেই এই কার্যক্রমগুলো পুনরায় চালু এবং আরও সম্প্রসারণ করা সম্ভব হবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
আপনার মতামত লিখুন :