ব্যালন ডি’অর: তারায় খচিত লন্ডন
অর্থবছরের প্রথম তিন মাস বৈদেশিক সহায়তার দ্বিগুণ অর্থ ঋণ পরিশোধে ব্যয়
পদ্মা নদী থেকে অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধ ও সেতুর অবকাঠামোর নিরাপত্তা নিশ্চিত চেয়ে হাইকোর্টে রিট
সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আদালত অবমাননার অভিযোগ: ট্রাইব্যুনালে ক্ষমা চাইলেন সুপ্রিম কোর্টের দুই আইনজীবী
সিপিবির মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলে হামলা
দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হামে আক্রান্ত শিশুদের অত্যন্ত জটিল ও সংকটাপন্ন অবস্থায় রাজধানী ঢাকায় নিয়ে আসা হচ্ছে। বিশেষ করে প্রত্যন্ত অঞ্চলগুলোর চিকিৎসাকেন্দ্র থেকে যখন এসব রোগীর অবস্থার অবনতি ঘটে, তখন অভিভাবকরা তাদের শেষ ভরসা হিসেবে ঢাকা শিশু হাসপাতালের শরণাপন্ন হন। বর্তমানে এই হাসপাতালেও হাম আক্রান্ত রোগীর সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে।
বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের মতে, হাম কেবল একটি সাধারণ চর্মরোগ বা মৃদু জ্বর নয়, এর সঙ্গে মারাত্মক নিউমোনিয়া এবং অন্যান্য শ্বাসকষ্টজনিত জটিলতা যুক্ত হলে পরিস্থিতি অত্যন্ত বিপজ্জনক হয়ে ওঠে। গ্রামীণ জনপদে সচেতনতার অভাব এবং প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিক চিকিৎসার ঘাটতির কারণে অনেক সময় রোগীরা শেষ মুহূর্তে এখানে এসে পৌঁছান। ফলে এসব শিশুর জীবন বাঁচাতে চিকিৎসকদের হিমশিম খেতে হয়।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, যারা শেষ মুহূর্তে মুমূর্ষু অবস্থায় আসছেন, তাদের মধ্যে অনেকেরই ফুসফুসে মারাত্মক সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়ছে। অনেক অভিভাবক প্রাথমিক লক্ষণগুলোকে সাধারণ জ্বর বা সর্দি ভেবে অবহেলা করেন, যার খেসারত দিতে হয় পরবর্তীতে। চিকিৎসকরা বলছেন, সময়মতো টিকা নেওয়া এবং সচেতনতা বৃদ্ধি করলেই কেবল এই প্রাণঘাতী জটিলতা থেকে শিশুদের রক্ষা করা সম্ভব।
এদিকে এমন পরিস্থিতি মোকাবিলায় ঢাকা শিশু হাসপাতালের চিকিৎসকরা সর্বাত্মক প্রস্তুতি গ্রহণ করেছেন বলে জানা গেছে। তবে দূরদূরান্ত থেকে জটিল রোগীদের এভাবে রাজধানীতে স্থানান্তর করার প্রবণতা কমাতে স্থানীয় পর্যায়ে স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নত করার তাগিদ দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা। অন্যথায় রোগীর চাপ সামলাতে গিয়ে বড় হাসপাতালগুলোর ওপর অতিরিক্ত চাপ অব্যাহত থাকবে।
আপনার মতামত লিখুন :