সিপিবির মিছিলে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান দেওয়ার অভিযোগ তুলে হামলা
হামের সঙ্গে নিউমোনিয়ার জটিলতা, দূরদূরান্তের শিশুদের শেষ ভরসা ঢাকা
মুক্তির দুদিনেই কোটি ভিউ ছাড়াল অপূর্ব-নিহার ‘ভালো আছো তো?’
সৌদি আরব, তুরস্ক ও পাকিস্তানের সঙ্গে বৈঠক শেষে মস্কোর পথে পেজেশকিয়ান
মধ্যপ্রাচ্যের নিরাপত্তায় সহযোগিতা জোরদারে একমত সৌদি-তুরস্ক-পাকিস্তান-ইরান
সাবেক পুলিশ প্রধানের বিতর্কিত মন্তব্য ও কর্মকাণ্ড নিয়ে দেশজুড়ে নানা আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে। বিভিন্ন মহল থেকে তাঁর অতীত ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে এবং এ ধরনের অবস্থান জননিরাপত্তা ও আইনের শাসনের পরিপন্থী বলে মন্তব্য করা হয়েছে। নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও এ বিষয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছেন।
প্রখ্যাত মানবাধিকারকর্মী নূর খান লিটন সম্প্রতি এক বক্তব্যে সাবেক আইজিপির কঠোর সমালোচনা করেন। তিনি স্পষ্টভাবে জানান যে, বিচারবহির্ভূত হত্যা বা ক্রসফায়ারের পক্ষে অবস্থান নেওয়ার মধ্য দিয়ে ওই কর্মকর্তা নিজের সাংবিধানিক ও নৈতিক দায়িত্ব লঙ্ঘন করেছেন। এমন একজন ব্যক্তি রাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন থাকার যোগ্যতা সম্পূর্ণ হারিয়ে ফেলেছেন বলে তিনি মন্তব্য করেন।
মানবাধিকার সংগঠনগুলো দীর্ঘদিন ধরে বিচারবহির্ভূত হত্যার বিরুদ্ধে সোচ্চার ভূমিকা পালন করে আসছে। তাদের মতে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কোনো সদস্যের মুখ থেকে এ ধরনের বেআইনি কাজের সমর্থন কোনোভাবেই কাম্য নয়। এটি দেশের বিচারব্যবস্থাকে দুর্বল করে এবং সাধারণ মানুষের ন্যায়বিচার পাওয়ার অধিকারকে ক্ষুণ্ন করে।
বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে সম্পূর্ণ পেশাদার ও আইনের অনুগত রাখতে এ ধরনের ঘটনার নিরপেক্ষ মূল্যায়ন জরুরি। ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে প্রশাসনিক পর্যায়ে আরও কঠোর নজরদারি এবং জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার ওপর জোর দিয়েছেন তারা।
আপনার মতামত লিখুন :