ঢাকাস্থ বৃহত্তম ময়মনসিংহ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ঐক্য ফোরামের আত্মপ্রকাশ
ইসরায়েলি সেনাদের ওপর একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ
ইরানের সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়ের আগেই’ সম্পন্ন হয়েছে : ট্রাম্প
দেশনেত্রী ফোরামের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
শিশু সানজিদা হত্যা, সৎবাবাসহ আটক দুই। জেলার সলঙ্গায় শিশু সানজিদা হত্যার ঘটনায় সৎবাবা শরিফুল ইসলাম ও হাসমত আলী নামে প্রতিবেশী এক মামাকে আটক করেছে পুলিশ।
নিখোঁজ হওয়ার পাঁচদিন পর আজ বৃহস্পতিবার সকালে সলঙ্গা থানার অলিদহ পশ্চিমপাড়া এলাকার একটি ধানক্ষেত থেকে মাটি খুঁড়ে সানজিদা খাতুনের (৯) মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। হত্যাকান্ডে জড়িত শিশুটির সৎ বাবা শরিফুল অলিদহ গ্রামের নুরালের ছেলে। হাসমত আলী একই গ্রামের আবু হানিফ শেখের ছেলে।
সলঙ্গা থানার অফিসার ইনচার্জ এনামুল হক জানান, প্রথম স্বামী শাহিনের সাথে বিবাহ বিচ্ছেদ হওয়ার পর শরিফুলকে বিয়ে করেন সানজিদার মা জরিনা খাতুন। পারিবারিক দ্বন্দ্বের জের ধরে দেড় মাস আগে জরিনা খাতুন স্বামী শরিফুলকে ছেড়ে বাবার বাড়ীতে চলে যায়। শরিফুল তাকে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করে ব্যর্থ হয়ে জরিনার প্রতিবেশী ভাই প্রভাবশালী হাসমত আলীর শরণাপন্ন হন।
এ অবস্থায় গত ১০ ফেব্রুয়ারি মাদ্রাসায় যাবার পথে হাসমত ও শরিফুল সানজিদাকে অপহরনের চেষ্টা করে। সানজিদা চিৎকার করলে তাকে গলাটিপে হত্যার পর কবর স্থানের জঙ্গলে মরদেহ ফেলে রেখে যায় তারা। পরে ওই রাতে আবারো দু’জন ফিরে এসে মরদেহটি একটি ধানক্ষেতে পুতে রাখে।
আরও পড়ুনঃআগুন দিয়ে বিএনপি-জামায়াত রেলের ক্ষতি করেছে
এদিকে অনেক খোঁজাখুঁজির পর সানজিদার সন্ধান না পেয়ে ১১ফেব্রুয়ারি তার নানা জহুরুল ইসলাম থানায় জিডি করেন। জিডির পর পুলিশ অনুসন্ধান চালিয়ে শরিফুল ও হাসমতকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করেন। জিজ্ঞাসাবাদে দুজনেই সানজিদাকে হত্যার কথা স্বীকার করেন। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ধানক্ষেত থেকে সানজিদার মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
আপনার মতামত লিখুন :