জাপানের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যাহ্নভোজে তারেক রহমান
কুষ্টিয়ায় স্টেডিয়ামে অনুমতি দিল প্রশাসন, জামায়াত জিলা স্কুল মাঠে সমাবেশ করতে অনড়
সার্বিয়ায় ছাত্র আন্দোলনের বিজয়, নাহিদ ইসলামের অভিনন্দন
বে অব বেঙ্গল ঘিরে বাংলাদেশের সঙ্গে সম্পর্ক জোরদারে আগ্রহী জাপান
শত্রুর সাথেও আমাদের ইনসাফ করা শিখতে হবে: নাহিদ ইসলাম
বাংলাদেশের সঙ্গে দ্বিপক্ষীয় অংশীদারিত্ব আরও দৃঢ় করতে এবং বঙ্গোপসাগরীয় অঞ্চলে আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও অভিন্ন সমৃদ্ধি ত্বরান্বিত করার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছে জাপান। দেশটির রাজধানী টোকিওতে অবস্থিত জাপানি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় ‘কানতেই’-তে দুই সরকার প্রধানের মধ্যে অনুষ্ঠিত এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে এই অভিন্ন অবস্থান ব্যক্ত করা হয়। এই দ্বিপক্ষীয় কূটনৈতিক বৈঠকটি উভয় দেশের দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ককে আরও উঁচুতলায় নিয়ে যাওয়ার ক্ষেত্রে একটি মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।
বৈঠক শেষে আয়োজিত এক যৌথ সংবাদ সম্মেলনে জাপানের প্রধানমন্ত্রী সানায়ে তাকাইচি জানান যে বাংলাদেশ ও জাপানের কূটনৈতিক সম্পর্কের গত অর্ধশ শতাব্দী ধরে অত্যন্ত সফলভাবে বিকশিত হয়েছে। তিনি বাংলাদেশকে অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে সমর্থনের কথা পুনর্ব্যক্ত করে বলেন যে বঙ্গোপসাগর ঘিরে ঢাকার সঙ্গে সম্পর্ক আরও জোরদার করতে টোকিও বিশেষভাবে আগ্রহী। এছাড়া বাংলাদেশের সামুদ্রিক নিরাপত্তা বা মেরিটাইম সেফটি নিশ্চিতকরণে জাপানি সরকারের পক্ষ থেকে পূর্ণ সহযোগিতার আশ্বাসও দেওয়া হয়েছে।
দুই দেশের শীর্ষ নেতাদের এই বৈঠকে বে অব বেঙ্গল ইন্ডাস্ট্রিয়াল গ্রোথ বেল্ট বা বিগ-বি উদ্যোগটিকে আধুনিক ও যুগোপযোগী করে তোলার বিষয়ে পূর্ণ ঐকমত্য প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। জাপানি প্রধানমন্ত্রী উল্লেখ করেন যে বাংলাদেশ তাদের একটি অত্যন্ত বিশ্বস্ত ও দীর্ঘমেয়াদি উন্নয়ন সহযোগী এবং এ দেশের অর্থনৈতিক অগ্রযাত্রায় টোকিও অতীতেও পাশে ছিল, ভবিষ্যতেও থাকবে। দুই দেশের মধ্যকার দ্বিপক্ষীয় সম্পর্ককে কৌশলগত অংশীদারত্বে উন্নীত করার যুগান্তকারী সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়ে তিনি আশা প্রকাশ করেন যে এর মাধ্যমে সহযোগিতার নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।
এর আগে জাপানি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে পৌঁছালে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে আনুষ্ঠানিকভাবে উষ্ণ অভ্যর্থনা জানানো হয় এবং সেখানে তাকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয়। দ্বিপক্ষীয় শীর্ষ বৈঠক শেষে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী জানান যে দুই দেশের এই মৈত্রী সম্পূর্ণভাবে পারস্পরিক শ্রদ্ধা এবং আস্থার মজবুত ভিত্তির ওপর প্রতিষ্ঠিত। দুই দেশের এই অংশীদারিত্বকে নিছক কূটনৈতিক সম্পর্কের গণ্ডি ছাড়িয়ে শক্তিশালী অর্থনৈতিক সুযোগ ও অভিন্ন সমৃদ্ধির মজবুত প্ল্যাটফর্মে রূপান্তর করাই তাদের মূল লক্ষ্য বলে তিনি মন্তব্য করেন।
আপনার মতামত লিখুন :