অস্বাস্থ্যকর খাবার চেনাতে মোড়কে সতর্কবার্তা, দেশে প্রথম প্রচারণা শুরু
বঙ্গোপসাগরে গভীর নিম্নচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের নাম হতে পারে ‘অর্ণব’
কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগকে ফিরিয়ে আনতে যা যা করা প্রয়োজন, সবই করছে বিএনপি: নাহিদ
জন্মদিনে শিউলি ফুলের থিম,পরীমণি মানেই অন্যরকম আকর্ষণ
ইবতেদায়ি মাদ্রাসা এমপিওভুক্তি নিয়ে সুখবর দিলেন সংসদ সদস্য টিপু
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত ও পরাজিত শক্তিকে নিয়ে বিশেষ সতর্কতা প্রকাশ করেছেন বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান। সম্প্রতি এক আলোচনা সভায় তিনি উল্লেখ করেন যে, ইতিহাসের এই সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আত্মতুষ্টিতে ভোগার কোনো অবকাশ নেই। পরাজিত শক্তিগুলোকে দুর্বল মনে করা একটি বড় ভুল হতে পারে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
তিনি আরও যোগ করেন যে, জনগণের দীর্ঘ লড়াইয়ের মাধ্যমে অর্জিত বিজয়ের সুফল রক্ষা করতে হলে সকল পক্ষের মধ্যে পারস্পরিক সহযোগিতা ও সংহতি অত্যন্ত জরুরি। সমাজের বিভিন্ন স্তরে বিভেদ ভুলে একসঙ্গে কাজ করার ওপর গুরুত্বারোপ করে তিনি বলেন, সামনে এখনো নানা ধরনের অদৃশ্য ও দৃশ্যমান চ্যালেঞ্জ বা অভিন্ন হুমকি রয়ে গেছে। এসব বাধা সফলভাবে মোকাবেলা করার জন্য জাতীয় ঐক্যের কোনো বিকল্প নেই বলেও তিনি মনে করেন।
বিশ্লেষকদের মতে, রাষ্ট্রীয় সংস্কার এবং স্থিতিশীলতা অর্জনের পথে বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক শক্তির অবস্থান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই পরিস্থিতিতে দায়িত্বশীল ব্যক্তিদের এমন সতর্কবার্তা সমাজে ইতিবাচক আলোচনা তৈরি করছে। দেশের গণতান্ত্রিক অভিযাত্রাকে টেকসই করতে হলে অতীতের সকল ভুলত্রুটি থেকে শিক্ষা নিয়ে সামনে এগিয়ে যাওয়ার পথ খুঁজছেন সংশ্লিষ্টরা।
সবশেষে, দেশের শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখতে এবং যেকোনো ধরনের ষড়যন্ত্র প্রতিহত করতে সচেতন নাগরিকদের সদা জাগ্রত থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সংস্কারমূলক কার্যক্রম এগিয়ে নিতে জনগণের সম্মিলিত সমর্থন ও সহযোগিতা অপরিহার্য বলে মনে করছেন নীতি নির্ধারকরা। দেশজুড়ে চলমান এই সংলাপে নাগরিক সমাজের প্রতিনিধিরাও ইতিবাচক সাড়া দিচ্ছেন।
আপনার মতামত লিখুন :