ঢাকাস্থ বৃহত্তম ময়মনসিংহ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ঐক্য ফোরামের আত্মপ্রকাশ
ইসরায়েলি সেনাদের ওপর একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ
ইরানের সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়ের আগেই’ সম্পন্ন হয়েছে : ট্রাম্প
দেশনেত্রী ফোরামের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
মিয়ানমারে সংঘাতময় পরিস্থিতিতে বাধাগ্রস্ত হচ্ছে প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া। তাই প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া অনিশ্চতা জেনে ক্যাম্পের কাঁটাতার কেটে পালিয়ে যাচ্ছেন কক্সবাজারের উখিয়া ও টেকনাফের ৩৩টি আশ্রয়শিবিরে বসবাসরত রোহিঙ্গারা।
এর-ই মধ্যে আজ সোমবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) সকালে ১ ঘণ্টার চেষ্টায় চেকপোস্ট বসিয়ে কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে যানবাহনে তল্লাশি চালিয়ে আটক করা হয়েছে ৪০ রোহিঙ্গাকে। আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন) জানায়, ক্যাম্পে কাঁটাতার কেটে রোহিঙ্গারা দেশের নানাপ্রান্তে ছড়িয়ে পড়ছে। তাই কক্সবাজার-টেকনাফ সড়কে বাড়তি চেকপোস্ট বসানো হয়েছে। তার-ই অংশ হিসেবে উখিয়া ডিগ্রি কলেজে এলাকায় চেকপোস্ট বসিয়ে যানবাহন তল্লাশি চালিয়ে ৪০ রোহিঙ্গাকে আটক করা হয়।
পরে তাদের কুতুপালংস্থ ক্যাম্প ইনচার্জের কাছে হস্তান্তর করা হবে। মূলত কাজের সন্ধানে তারা নানা উপায়ে ক্যাম্প ছাড়ছেন বলে জানিয়েছে এপিবিএন।
চলতি মাসের শুরুর দিকে বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তমব্রু সীমান্তে মিয়ানমারের সরকারি সেনা ও বিদ্রোহী আরাকান আর্মির মধ্যে সংঘর্ষ শুরু হয়।
আরও পড়ুনঃ যশোরের পুলিশ সুপারের সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়
সংঘর্ষের একপর্যায়ে মিয়ানমার সরকারি বাহিনীর ৩৩০ সদস্য বাংলাদেশে পালিয়ে আশ্রয় নেন। তাদের মধ্যে মিয়ানমার বর্ডার গার্ড পুলিশের সংখ্যা ছিল বেশি। এ ছাড়া সে দেশের সেনাবাহিনী, কাস্টমস, ইমিগ্রেশন পুলিশ ও কয়েকজন বেসামরিক নাগরিক ছিলেনও তাদের মধ্যে। আশ্রয় নেয়া ৩৩০ জনকে গত ১৫ ফেব্রুয়ারি মিয়ানমার কর্তৃপক্ষের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এখনও টেকনাফের শাহপরীর দ্বীপের বিপরীতে পাশে মিয়ানমারের সরকারি সেনা ও আরাকান আর্মির মধ্যে তীব্র সংঘর্ষ চলছে। সেই সংঘর্ষে জের ধরে বর্তমানে টেকনাফ শহর ,শাহপরীর দ্বীপসহ আশপাশের এলাকায় সেখান থেকে আসা বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া যাচ্ছে।
আপনার মতামত লিখুন :