ঢাকাস্থ বৃহত্তম ময়মনসিংহ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ঐক্য ফোরামের আত্মপ্রকাশ
ইসরায়েলি সেনাদের ওপর একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ
ইরানের সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়ের আগেই’ সম্পন্ন হয়েছে : ট্রাম্প
দেশনেত্রী ফোরামের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
এমপির বরাদ্দে রাজাকারের কবরস্থান! ক্ষুব্ধ মুক্তিযোদ্ধারা। সম্প্রতি খুলনার পাইকগাছা উপজেলার হরিঢালী ইউনিয়নের প্রতাপকাটি গ্রামে সরকারি টাকায় একটি পারিবারিক কবরস্থান সংস্কার করে দিয়েছেন স্থানীয় সংসদসদস্য মো. আক্তারুজ্জামানবাবু।
কবরস্থানটি মুক্তিযোদ্ধাদের গুলিতে নিহত মোসলেম আলী গাজীর বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী। সরকারি টাকায় কীভাবে রাজাকারের কবরস্থান সংস্কার করা হলো তানিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
কপিল মুনি ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সভাপতি সরদার বজলুর রহমান বলেন, মোসলেম গাজী মুক্তিযুদ্ধের সময় পিচ কমিটির সদস্য। রাজাকারদের বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করতেন তিনি।
এ কারণে মুক্তিযোদ্ধারা মোসলেম গাজীসহ আরও কয়েকজনকে তুলে নিয়ে লতা ইউনিয়নের শংকরদানা খেয়া ঘাট এলাকায় গুলি করে মেরে ফেলেন। পরে পরিবারের সদস্যরা সেখান থেকে লাশটি নিয়ে এসে পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করেন।

ওই কবরস্থানটি সংস্কার করার জন্য সরকারি অর্থবরাদ্দ করেছেন সংসদ সদস্য। গ্রামীণ অবকাঠামো রক্ষণাবেক্ষণ (টিআর) কর্মসূচির আওতায় ‘ডাক্তারবাড়ি কবরস্থান’ নামের ওই কবরস্থানটি সংস্কারকরাহয়। কবরস্থান সংস্কারে বরাদ্দ দেওয়া হয় দুই লাখ টাকা। আর ওই বরাদ্দ দেন স্থানীয় সংসদ সদস্য মো.আক্তারুজ্জামান বাবু।
স্থানীয়রা জানান, গত শনিবার কবরস্থান সংস্কারের কাজ শেষ হয়। এরপর সেখানে লাগানো হয় নাম ফলক। তখনই এলাকাবাসী বুঝতে পারেন সরকারি টাকায় ওই কবরস্থানের সংস্কার কাজ করা হয়েছে। ওই টাকাযে সংসদ সদস্য আক্তারুজ্জামান বরাদ্দ করেছেন তা নাম ফলকে স্পষ্ট করে উল্লেখ রয়েছে।
গত শুক্রবার দুপুরে ওই কবরস্থানের উদ্বোধন করেন উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল। মুক্তিযুদ্ধের সময় পাইকগাছা এলাকার মুক্তি বাহিনীর কমান্ডার ছিলেন বিনয় সরকার।
আরও পড়ুনঃ গ্যালারিতে সংঘর্ষের ঘটনায় যা বলছেন মেসি
তিনি বলেন, মুক্তি যুদ্ধের সময় যারা রাজাকার বা পিচ কমিটির সদস্য ছিলেন তাঁদের মুক্তিযোদ্ধারা খুঁজে খুজে মেরে ফেলতেন। হয় তেমনই একজন ছিলেন মোসলেম গাজী।
সেই রাজাকারের কবরস্থান যদি সরকারি অর্থেসংস্কার করা হয় তাহলে সেটি খবই দুঃখজনক। এটা মুক্তিযোদ্ধাদের জন্য চরম অবমাননা করও।
আপনার মতামত লিখুন :