অতীতে মূল্যায়নে আন্ডার-মার্কেটিং ও ওভার-মার্কেটিং হতো, এইচএসসির নম্বর প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী
মিরপুরে পরিস্থিতি স্বাভাবিক, খুলেছে মেট্রো স্টেশন
সুনামগঞ্জে ৮৭ কোটি টাকার সড়ক প্রকল্পে দুর্নীতির অভিযোগ, বিএনপির সংবাদ সম্মেলন
কুইক রেন্টালে লুটপাট নয়, সাশ্রয়ী বিদ্যুৎ চান প্রধানমন্ত্রী
অর্থবছরের আড়াই মাসেই জ্বালানি ভর্তুকি গেছে ২৪ হাজার কোটি টাকা: তথ্য উপদেষ্টা
শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন সম্প্রতি জানিয়েছেন যে অতীতে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র মূল্যায়নের ক্ষেত্রে নানা ধরনের অনিয়ম ও অসংগতি বিদ্যমান ছিল। তিনি উল্লেখ করেন যে পূর্বের বছরগুলোতে পরীক্ষাকাতায় নম্বর প্রদানে কখনো কৃপণতা বা আন্ডার-মার্কেটিং করা হতো, আবার কখনো অতিরিক্ত নম্বর দিয়ে ওভার-মার্কেটিং করার প্রবণতাও লক্ষ্য করা যেত। এই ধরনের ত্রুটিপূর্ণ মূল্যায়ন ব্যবস্থার কারণে শিক্ষার্থীদের প্রকৃত মেধার সঠিক প্রতিফলন ঘটত না এবং সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থা নিয়ে জনমনে বিভিন্ন ধরনের প্রশ্ন উঠত।
বর্তমান সরকার শিক্ষা খাতের এই দীর্ঘদিনের অনিয়ম ও ত্রুটিগুলো দূর করতে অত্যন্ত কঠোর অবস্থান নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। তিনি স্পষ্ট করে বলেছেন যে বর্তমান প্রশাসন পরীক্ষাকাতা মূল্যায়নের পুরো প্রক্রিয়ায় সম্পূর্ণ স্বচ্ছতা এবং জবাবদিহি প্রতিষ্ঠা করতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। এর অংশ হিসেবে মূল্যায়নকারীদের কাজের ওপর কঠোর নজরদারি রাখা হচ্ছে যাতে প্রতিটি শিক্ষার্থী তাদের প্রাপ্য সঠিক নম্বরটিই পায় এবং কোনো ধরনের পক্ষপাতিত্বের সুযোগ না থাকে।
শিক্ষামন্ত্রী আরও যোগ করেন যে একটি উন্নত ও মানসম্মত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার জন্য নিরপেক্ষ মূল্যায়ন পদ্ধতির বিকল্প নেই। বিগত দিনের অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে বর্তমান নীতিনির্ধারকরা খাতা দেখার প্রক্রিয়াটিকে আরও বেশি যুগোপযোগী ও বৈজ্ঞানিক করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। এর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের মেধার প্রকৃত মূল্যায়ন নিশ্চিত হবে এবং দেশজুড়ে পাবলিক পরীক্ষার ফলাফলের ওপর সাধারণ মানুষ ও শিক্ষার্থীদের হারানো আস্থা ফিরে আসবে বলে আশা প্রকাশ করা হচ্ছে।
শিক্ষা খাতের এই সংস্কারমূলক পদক্ষেপগুলো বাস্তবায়িত হলে তা দেশের সামগ্রিক শিক্ষা ব্যবস্থার মানোন্নয়নে দীর্ঘমেয়াদি ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে। সংশ্লিষ্ট সবাই আশা করছেন যে নিরপেক্ষ ও দায়িত্বশীল মূল্যায়নের এই ধারা বজায় থাকলে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীকে মূল্যায়নের ক্ষেত্রে বৈষম্যের শিকার হতে হবে না। সরকার এ বিষয়ে শিক্ষক ও পরীক্ষকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে আরও বেশি পেশাদারিত্ব ও সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানিয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :