বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
টেসলার জনপ্রিয় মডেল ওয়াই বৈদ্যুতিক গাড়ির (ইভি) নতুন সংস্করণ নিয়ে যখন আলোচনা তুঙ্গে, তখন প্রতিষ্ঠানটির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইলন মাস্ক ২০২৫ সালে আরও একটি সাশ্রয়ী মডেল আনার ঘোষণা দিয়েছেন। বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে এই নতুন মডেল নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে।
টেসলার মডেল ওয়াই পাঁচ বছর পূর্ণ করতে যাচ্ছে। দীর্ঘ সময় ধরে বাজারে থাকা এই মডেল হালনাগাদ করা তাই এখন সময়ের দাবি। এমনকি মডেল ওয়াই টেসলার সর্বাধিক বিক্রীত গাড়ি এবং বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারেও এটি শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে। টেসলার অভ্যন্তরীণ নাম ‘জুনিপার’ দিয়ে চিহ্নিত মডেল ওয়াইয়ের নতুন সংস্করণে কী পরিবর্তন আসছে, তা নিয়ে কিছুটা ধারণা পাওয়া যাচ্ছে। ২০২৩ সালে হালনাগাদ হওয়া মডেল–৩ থেকে বোঝা যাচ্ছে, নতুন মডেল ওয়াইয়ে বাহ্যিক নকশায়, যেমন সামনের হুড, হেডলাইট, টেইললাইটে পরিবর্তন আসতে পারে। এ ছাড়া আরামদায়ক অভ্যন্তরীণ সজ্জা ও আধুনিক ব্যাটারি–প্রযুক্তি যুক্ত হতে পারে। তবে কিছু চমকপ্রদ নতুন সংযোজনও থাকতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে।
মডেল ওয়াইয়ের নতুন সংস্করণ নিয়ে ইলন মাস্ক খুব বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করেননি। তবে তিনি এর আগে একাধিকবার নতুন একটি সাশ্রয়ী মডেল আনার ইঙ্গিত দিয়েছেন। মাস্ক অক্টোবর মাসে তৃতীয় প্রান্তিকের আয় প্রতিবেদন প্রকাশের সময় বলেন, ‘২০২৫ সালের প্রথমার্ধেই আমরা সাশ্রয়ী মডেল আনার পথে এগোচ্ছি।’ যদিও এই গাড়ির আনুষ্ঠানিক নাম এখনো ঘোষণা করা হয়নি, তবে বিশ্লেষকেরা একে ‘মডেল ২’ নামে চিহ্নিত করছেন। ধারণা করা হচ্ছে, এই মডেল শুধু সাধারণ ক্রেতাদের জন্য নয়, বরং স্বয়ংক্রিয় রাইড শেয়ারিং সেবা বা রোবোট্যাক্সি প্রকল্পের অংশও হতে পারে।
আরও পড়ুনঃ বিএনপির কনসার্টে বেবী নাজনীন
টেসলার নতুন সাশ্রয়ী মডেলের প্রধান আকর্ষণ হতে পারে এর দাম। এই গাড়ির মূল্য বর্তমানের সবচেয়ে সস্তা টেসলার চেয়ে কম হবে। বর্তমানে ফেডারেল কর সুবিধাসহ মডেল–৩–এর লং রেঞ্জ রিয়ার হুইল ড্রাইভ সংস্করণের দাম প্রায় ৩৫ হাজার থেকে ৩৬ হাজার ডলারের মধ্যে।
২০২০ সালে মাস্ক বলেছিলেন, ‘আমরা তিন বছরের মধ্যে ২৫ হাজার ডলারে একটি সম্পূর্ণ স্বয়ংক্রিয় বৈদ্যুতিক গাড়ি আনতে পারব বলে আত্মবিশ্বাসী।’ তবে বাস্তবতা বলছে, এই গাড়ির দাম ৩০ হাজার ডলারের কাছাকাছি হতে পারে।
এদিকে যুক্তরাষ্ট্রে বৈদ্যুতিক গাড়ির দাম কমানোর ক্ষেত্রে ফেডারেল সরকারের ৭ হাজার ৫০০ ডলারের কর সুবিধা একটি বড় ভূমিকা পালন করছে। তবে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের প্রশাসন এই সুবিধা বাতিলের পরিকল্পনা করছে বলে বিভিন্ন সূত্র জানিয়েছে। এ বিষয়ে ইলন মাস্ক বলেছেন, ‘এটি আমাদের প্রতিযোগীদের জন্য বড় আঘাত হবে, তবে টেসলার ওপর তুলনামূলক কম প্রভাব ফেলবে।’ বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, করসুবিধা বাতিল হলে যুক্তরাষ্ট্রে বৈদ্যুতিক গাড়ির বাজারে প্রবৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।
আপনার মতামত লিখুন :