বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
ফেনীতে মামলার বাদি চিনেনা আসামীদের,মামলা থেকে বাদ পড়েনি প্রবাসী,প্রতিবাদে এলাকাবাসীর মানববন্ধন।
ফেনী প্রতিনিধিঃ
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনার গত সোমবার ফেনী মডেল একটি মামলা দায়ের আঃরব নামের এক সিএনজি অটোরিকশা চালক। মামলায় আসামী করা হয় ১৪২ জনকে তার মধ্যে একজনকেও চিনেননা বাদি আঃ বর। এ মামলায় সোনাগাজীর বগাদানা ইউনিয়নের পাইকপাড়া ও মান্দারী গ্রামের বেশ কিছু মানুষকে ফাঁসানো হয়েছে,এছাড়া তিনজন প্রবাসী ও দুিজন স্থানীয় সাংবাদিককে আসামি করা হয়।
মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানি করার প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে সোনাগাজীর বগাদানা ইউনিয়নের মান্দারি গ্রামের এলাকাবাসী। শুক্রবার (২২ নভেম্বর) জুমার নামাজের পর মান্দারি ইসলামিয়া নুরুল উলুম মাদরাসা প্রাঙ্গণে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হয়।
মান্দারি ইসলামিয়া নুরুল উলুম মাদরাসার অধ্যক্ষ নুরুল আবছারের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে এলাকাবাসী অংশ গ্রহণ করেন। এ সময় বক্তব্য রাখেন সাবেক ইউপি সদস্য মাহবুবুল হক, বেলাল হোসেন, শাহ আলম, মান্দারি মাদরাসার সহকারী অধ্যাপক মো. হারুন, বিশিষ্ট ব্যবসায়ী রফিক উদ্দিন কালা মিয়া, গুলজার হোসেন আবদুল মজিদ প্রমুখ।
এলাকাবাসী বলেন, ৪ আগস্ট ফেনীর মহিপালের ছাত্র-জনতার ওপর হামলার ঘটনায় গত ১৮ নভেম্বর ফেনী মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের করে সেনবাগ উপজেলার আবদু রব। এ মামলায় ১৪২ জনের নাম উল্লেখ করে আরো অজ্ঞাতনামা ৭০ জনকে আসামি করা হয়। মামলায় উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে সোনাগাজী উপজেলার বগাদানা ইউনিয়নের মান্দারি গ্রামের ৩৮ জনকে আসামি করা হয়েছে। ৬ জন প্রবাসী, সাংবাদিক, মাদরাসার অধ্যক্ষ, সহকারী অধ্যক্ষ, মসজিদের খতিব, রিকশা চালক, টমটম চালক, সিএনজি চালক, মুদি দোকানদার, দোকানদার, মাংস ব্যবসায়ীসহ অনেক বিএনপি কর্মীদের আসামি করা হয়েছে। এতে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে এলাকার নিরীহ সাধারণ মানুষ এলাকা ছাড়া রয়েছে। এমতাবস্থায় নিরীহ লোকজনকে মিথ্যা মামলা থেকে বাদ দিয়ে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নিতে আহ্বান জানান।
এ ব্যাপারে মামলার বাদী সেনবাগ উপজেলার লক্ষিপুর গ্রামের আবুল কাশেমের ছেলে সিএনজি চালক আবদু রব বলেন, মামলার আসামিদের সম্পর্কে আমি কিছুই জানি না। তিনজন বিএনপি জামায়াতের নেতা আমাকে ১০ হাজার টাকা দিয়ে কয়েকটি স্ট্যাম্পে সাক্ষর নিয়েছে। পরে ঐ পেপারগুলো ফেনী মডেল থানায় তারাসহ জমা দিয়েছি।
মামলায় কতজন আসামি বা প্রধান আসামি কে এই বিষয়ে কিছুই বলতে পারেননি বাদী আবদুর রব।
ফেনী মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মর্ম সিংহ ত্রিপুরা বলেন, ছাত্র-জনতার আন্দোলনে হতাহতের ঘটনার বাদী মামলা দিলে থানায় তা গ্রহণ করতে হয়। তবে মামলা যাচাই-বাছাই করে দায়ী আসামিদের আইনের আওতায় আনা হবে।
আরও পড়ুন :রাজশাহীতে হাতুড়িপেটার ঘটনা সমন্বয়কদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলে,দাবি ছাত্রদলের নেতাদের
আপনার মতামত লিখুন :