ইরানের সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়ের আগেই’ সম্পন্ন হয়েছে : ট্রাম্প
দেশনেত্রী ফোরামের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
তথ্যপ্রযুক্তি খাতের ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে প্রশিক্ষণ দিচ্ছে সরকারের তিন মন্ত্রণালয়। এ প্রশিক্ষণে এরই মধ্যে হাজার কোটি টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। যদিও সরকারের এক গবেষণাই বলছে, বাজারের চাহিদার সঙ্গে এই প্রশিক্ষণের বিস্তর ফারাক রয়েছে। প্রতিযোগী দেশগুলোর তুলনায় দক্ষতায় পিছিয়ে বাংলাদেশ; আয়েও রয়েছে পিছিয়ে।
বিগত আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে প্রতিবছরই বলা হতো, ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা লাখ লাখ বাড়ছে। প্রায়ই নেওয়া হতো নানা প্রকল্প। ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে অন্তত হাজার কোটি টাকা ব্যয় করেছে তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগ (আইসিটি)। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অধীন জাতীয় কম্পিউটার প্রশিক্ষণ ও গবেষণা একাডেমি (নেকটার) এবং যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয়ের অধীন যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরও ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে বড় অঙ্কের অর্থ ব্যয় করে আসছে।
খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা সরকারের এই প্রশিক্ষণ ও অর্থ ব্যয়কে অনেকটাই অপচয় বলছেন। তাঁরা পুরোনো সিলেবাসে প্রশিক্ষণ, বাজারের চাহিদা না বোঝা; যাঁদের প্রয়োজন, তাঁদের প্রশিক্ষণ না দেওয়া; প্রশিক্ষণ উদ্যোগে অংশীজনদের যুক্ত না করা এবং প্রশিক্ষকদের পর্যবেক্ষণে না রাখার বিষয়কে মূল সমস্যা হিসেবে তুলে ধরছেন।
আইসিটি সচিব শীষ হায়দার চৌধুরী বলেন, ফ্রিল্যান্সিংয়ের প্রয়োজনীয়তা আছে। তবে দক্ষতা বৃদ্ধিতে এখন মনোযোগ দিতে হবে। এ জন্য আইসিটি বিভাগ সামনের কাজগুলোতে এ ধরনের প্রশিক্ষণের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞদের যুক্ত করবে।
অক্সফোর্ড ইন্টারনেট ইনস্টিটিউট ২০১৭ সালে বাংলাদেশের ফ্রিল্যান্সিং খাতের ভালো সম্ভাবনার ইঙ্গিত দিয়েছিল। এ ছাড়া বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানও বাংলাদেশকে ফ্রিল্যান্সারদের শীর্ষ দেশ হিসেবে স্বীকৃতি দিয়েছিল। তবে চলতি বছরের এপ্রিলে সিইও ম্যাগাজিনে প্রকাশিত তালিকায় ফ্রিল্যান্সারদের শীর্ষ ২৫ দেশে বাংলাদেশের জায়গা হয়নি। বাংলাদেশের অবস্থান ২৯তম। এর কারণ হিসেবে জাতীয় দক্ষতা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ (এনএসডিএ) মান ও দক্ষতার ঘাটতির কথা বলেছে।
গত অক্টোবরে এনএসডিএ ‘কর্মসংস্থান তৈরিতে এবং রেমিট্যান্স বাড়াতে আইটি ফ্রিল্যান্সিংয়ে দক্ষতার ঘাটতি খুঁজে বের করা’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রকাশ করে। এতে উঠে এসেছে, বাংলাদেশের আইটি ফ্রিল্যান্সাররা মূলত তরুণ, পুরুষ (৮০ শতাংশ) ও শহরের বাসিন্দা। যাঁদের অধিকাংশই কমপক্ষে একটি ডিগ্রিধারী এবং এ খাতে নতুন ও অভিজ্ঞতা তিন বছরের কম। গবেষণায় বলা হয়েছে, বাংলাদেশ গ্রাফিক ডিজাইনে ভালো। যেখানে ভারত প্রোগ্রামিং ও সাইবার নিরাপত্তায় এগিয়ে, ফিলিপাইন ভার্চু৵য়াল সহকারী ও ডেটা এন্ট্রিতে এবং ভিয়েতনাম থ্রিডি মডেলিংয়ে।
আরও পড়ুনঃ নামাজ পড়াতে যাওয়ার পথে পিকআপচাপায় ইমাম-মোয়াজ্জিন নিহত
গবেষণায় প্রধান উদ্বেগ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে—বাংলাদেশের বর্তমান শিক্ষামূলক কর্মসূচির সঙ্গে বাজারের চাহিদার ফারাক রয়েছে। উদীয়মান প্রযুক্তি যেমন সাইবার নিরাপত্তা, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও মেশিন লার্নিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এই গবেষণার উত্তরদাতাদের ৫০ শতাংশ এসব দক্ষতা প্রয়োজন বলে জোর দিয়েছেন।
চাহিদা অনুযায়ী দক্ষতা ও ফ্রিল্যান্সারদের বিদ্যমান দক্ষতার মধ্যে একটি লক্ষণীয় ব্যবধান রয়েছে। বাংলাদেশে ফ্রিল্যান্সারদের আয় বৈশ্বিক মানদণ্ডের তুলনায় যথেষ্ট কম। বাংলাদেশের ওয়েব ডেভেলপাররা প্রতি ঘণ্টায় ১০ থেকে ২৫ ডলার আয় করে, যা আন্তর্জাতিক বাজারে ২৫ থেকে ৫০ ডলার।
তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডিনেট ও আই সোশ্যালের প্রতিষ্ঠাতা প্রধান নির্বাহী অনন্য রায়হান বলেন, যেভাবে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, তা অর্থের অপচয়। এই সরকারও যদি আগের মতো একই ভাবে প্রশিক্ষণের উদ্যোগ নেয়, তাহলে পরিবর্তন আসবে না। ভাতাভিত্তিক প্রশিক্ষণ বন্ধ করতে হবে। এতে শেখার আগ্রহ থাকে না।
দেশের শিক্ষিত তরুণ–তরুণীদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের জন্য একটি প্রকল্প হাতে নিয়েছে যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর। ‘দেশের ৪৮ জেলায় শিক্ষিত কর্মপ্রত্যাশী যুবদের ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের মাধ্যমে কর্মসংস্থান সৃষ্টি’ শীর্ষক ৩০০ কোটি টাকা ব্যয়ের প্রকল্পটির কাজ পেয়েছে অধিদপ্তরের অধীন সংগঠন জাতীয় যুব কাউন্সিলের সভাপতি মাসুদ আলমের প্রতিষ্ঠান ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিটেড। প্রকল্পের আওতায় প্রশিক্ষণ পাবেন ২৮ হাজার ৮০০ জন। প্রশিক্ষণের জন্য দৈনিক ৫০০ টাকা করে ভাতা দেওয়া হবে প্রশিক্ষণার্থীদের। এ ব্যাপারে মাসুদ আলমের সঙ্গে যোগাযোগের জন্য তাঁর কার্যালয়ে যোগাযোগ করা হয়, তবে তাঁকে পাওয়া যায়নি।
প্রশিক্ষণ দিতে প্রতি জেলায় ২৫টি কম্পিউটার ও হাইস্পিড ইন্টারনেট-সংবলিত দুটি ল্যাব স্থাপন করা হবে। প্রতিটি ল্যাবে প্রশিক্ষণের সুযোগ পাবেন ২৫ প্রশিক্ষণার্থী। ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং এবং যুব উন্নয়ন অধিদপ্তর জানায়, কম্পিউটারের প্রাথমিক শিক্ষা, গ্রাফিক ডিজাইন ও ডিজিটাল মার্কেটিংয়ের মতো বিষয়গুলোর ওপর প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। অর্থাৎ সেই পুরোনো বিষয়গুলোই থাকছে।
যুব উন্নয়ন অধিদপ্তরের উল্লিখিত প্রকল্পের পরিচালক মো. আ. হামিদ খান বলেন, এর আগে তাঁরা ১৬ জেলায় একই ধরনের প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে এবং সেখানে সফলতা ছিল। তারই ধারাবাহিকতায় এবারের প্রকল্প। উল্লেখ্য, ১৬ জেলার ওই প্রকল্পের কাজও ই-লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং লিমিডেট পেয়েছিল।
আইসিটি বিভাগের ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে ‘হার পাওয়ার’ নামে ২৮৭ কোটি টাকার একটি প্রকল্প চলছে। প্রায় একই সিলেবাসে তাদের প্রশিক্ষণও চলছে। তবে হার পাওয়ার প্রশিক্ষণার্থীদের ল্যাপটপ দিচ্ছে। আলাদা ল্যাব স্থাপন না করে সরকারের উদ্যোগে বিদ্যালয়গুলোতে তৈরি ল্যাবে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করেছে।
দেশের সফটওয়্যার খাতের সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) সাবেক সভাপতি ও বিডিজবসের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফাহিম মাশরুর বলেন, দেশে যে ধরনের প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়, তা এখন উন্নত দেশে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা দিয়েই সম্ভব। তিনি বলেন, বছরে ২০ থেকে ২৫ হাজার আইটি স্নাতক বের হন। এই শিক্ষার্থীদেরও যদি কিছু প্রশিক্ষণ দেওয়া যেত, সেটি ইন্ডাস্ট্রির উপকারে আসত। ভাতা দিয়ে যে প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে, তাতে দক্ষতা অর্জিত হবে না।
২০২৩ সালে তৎকালীন পরিকল্পনামন্ত্রী জানিয়েছিলেন, দেশে সাড়ে ১০ লাখ ফ্রিল্যান্সার রয়েছে; কিন্তু দেশের শীর্ষ ফ্রিল্যান্সাররা বলছেন, সক্রিয় ফ্রিল্যান্সার দেড় থেকে দুই লাখের মতো। আবার তাঁদের থেকে ঠিক কত আয় হয়, তারও সঠিক পরিসংখ্যান নেই।
ক্রিয়েটিভ আইটি ইনস্টিটিউটের প্রতিষ্ঠাতা ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মনির হোসেন প্রায় ২০ বছর ধরে ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণের সঙ্গে যুক্ত। মনির হোসেন বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্যই থাকে ফ্রিল্যান্সার বানানো, দক্ষতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না।
মনির হোসেন বলেন, সরকারের মূল লক্ষ্যই থাকে ফ্রিল্যান্সার বানানো, দক্ষতাকে প্রাধান্য দেওয়া হয় না। প্রযুক্তির এই যুগে দক্ষ মানুষের চাহিদা শুধু গ্লোবাল মার্কেটে না, আমাদের লোকাল মার্কেটেও যথেষ্ট চাহিদা রয়েছে। তাই সরকারের লক্ষ্য হতে হবে দক্ষ মানবসম্পদ তৈরিতে, শুধু ফ্রিল্যান্সিংয়ে নয়। এই পরিবর্তন না হলে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে তাল মেলানো সম্ভব হবে না এবং আয়ের দিক থেকে বাংলাদেশ পিছিয়ে পড়বে।
আরও পড়ুনঃ পলক এখন সেইফ হোমে
প্রায় একই ধরনের মন্তব্য করেন ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম ফাইবারের বাংলাদেশ কমিউনিটি লিডার এস এম মেহেদী হাসান। তিনি বলেন, প্রশিক্ষকদের লক্ষ্য থাকে প্রশিক্ষণার্থীদের কাজ দেখানো। এ ক্ষেত্রে অনেকে ভুয়া তথ্য দিয়ে একটি কাজ নিয়ে প্রশিক্ষণার্থীদের দেয়। একটি কাজের পর ওই অ্যাকাউন্ট আর সক্রিয় থাকে না। এতে অনেক সময় প্ল্যাটফর্মগুলো অ্যাকাউন্ট স্থগিত করে দেয়। দক্ষতা আর হয় না। অন্তত একটি কাজ করেছে, এমন তিন লাখ ফ্রিল্যান্সারও দেশে নেই। সক্রিয়ভাবে কাজ করা ফ্রিল্যান্সারের সংখ্যা আরও কম।
ফ্রিল্যান্সার তৈরিতে হার পাওয়ার ছাড়াও ‘লার্নিং অ্যান্ড আর্নিং’ নামে প্রায় ৩২০ কোটি টাকার একটি প্রকল্প ছিল আইসিটি বিভাগের। প্রকল্পটি নিয়ে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের অধীন বাস্তবায়ন, পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ (আইএমইডি) ২০২০ সালে একটি নিবিড় পরিবীক্ষণ প্রতিবেদন দেয়। সেখানে বলা হয়, ফ্রিল্যান্সার তৈরির জন্য নেওয়া এই প্রশিক্ষণে মেয়াদ যথেষ্ট নয় এবং দক্ষ প্রশিক্ষক দরকার। প্রশিক্ষণের জন্য ল্যাপটপ ও কম্পিউটার, ইন্টারনেট, বিদ্যুৎ–সুবিধার ঘাটতি ছিল। এ ছাড়া ফ্রিল্যান্সিং করে অর্থ আয়ের জন্য প্রশিক্ষণের মেয়াদ যথেষ্ট নয় বলে জানান প্রশিক্ষণ নেওয়া ব্যক্তিরা।
এর বাইরে ‘প্রযুক্তির সহায়তায় নারীর ক্ষমতায়ন’ নামের প্রায় ৮২ কোটি টাকার প্রকল্প ছিল। পাশাপাশি বিভিন্ন প্রকল্পের অধীন ফ্রিল্যান্সিং প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছে। বিভিন্ন কর্মসূচির আওতায়ও অনেক টাকা খরচ করে ফ্রিল্যান্সার বানানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়।
আওয়ামী লীগ আমলের তৎকালীন ডাক, টেলিযোগাযোগ ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিমন্ত্রী বলেছিলেন, ফ্রিল্যান্সিং খাতে বাংলাদেশ এক বিলিয়ন ডলারের বেশি আয় করছে; কিন্তু খাতসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলে থাকেন, এ সংখ্যা অনেক কম।
দেশের একজন শীর্ষ ফ্রিল্যান্সার নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, এ খাতের রপ্তানির পরিমাণ কেউই সঠিকভাবে বলতে পারবেন না।
চলতি বছরের জুলাইতে এক প্রতিবেদনে বেসিস-সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলেছিলেন, দেশের ফ্রিল্যান্সারদের রপ্তানির পরিমাণ ২০০ থেকে ২৫০ মিলিয়ন ডলার হতে পারে। তবে ফ্রিল্যান্সারদের সংগঠন বাংলাদেশ ফ্রিল্যান্সার ডেভেলপমেন্ট সোসাইটি (বিএফডিএস) বলেছিল, এটা ৩০০ মিলিয়ন ডলার হবে।
সম্প্রতি প্রকাশিত নেটওয়ার্ক রেডিনেস ইনডেক্স (এনআরআই) অনুযায়ী, বাংলাদেশের আইসিটি সেবা রপ্তানিতে বাংলাদেশে স্কোর ১০০–তে ৮ দশমিক শূন্য ৩।
সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক বি এম মইনুল হোসেন বলেন, একাধিক মন্ত্রণালয় এভাবে নিজেদের মতো একই কাজ না করে এটা নির্দিষ্ট এক জায়গা থেকে করতে পারে। বিগত সরকার সবসময় বলত, ইন্ডাস্ট্রি, একাডেমিয়া ও সরকারের সমন্বয় দরকার; কিন্তু এই সমন্বয় কীভাবে হবে তার কোনো রূপরেখা নেই।
মইনুল হোসেন বলেন, দেশীয় বা আন্তর্জাতিক বাজারের চাহিদা কী, সেটির জন্য অংশীজনদের সঙ্গে আলোচনা কখনোই হয় না। মূল সমস্যা প্রকল্পের ধারণাতেই, এখানে পরিবর্তন জরুরি।
আপনার মতামত লিখুন :