সিনেটের প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ ৭ অঙ্গরাজ্যের সব কটিতে এগিয়ে ডেমোক্র্যাটরা: নিউইয়র্ক টাইমসের জরিপ
আগামী গ্রীষ্মে সৌরবিদ্যুৎ থেকে ৪ হাজার মেগাওয়াট উৎপাদনের লক্ষ্য সরকারের
ঋণের নামে ১২২১ কোটি টাকা লোপাট, সালমানসহ ৬৯ জনের বিরুদ্ধে মামলা
বিরোধী দলের জন্য আলোচনার দ্বার এখনো উন্মুক্ত: চিফ হুইপ
সরকারকে বেকায়দায় ফেলতে নানা ষড়যন্ত্র চলছে : রিজভী
চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট বা এইচএসসি এবং সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে ফেল করা শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ পুনর্বীক্ষার ব্যবস্থা করা হয়েছে। শিক্ষা প্রশাসনের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী ডিসেম্বর মাসের প্রথম দিন থেকে ৩১ তারিখের মধ্যে এই পরীক্ষাগুলো সম্পন্ন হবে। শুধু পরীক্ষাই নয়, বরং একই নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যেই ওই শিক্ষার্থীদের ফলাফলও প্রকাশ করা হবে বলে জানানো হয়েছে। ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। এর মাধ্যমে অকৃতকার্য শিক্ষার্থীরা দ্রুত তাদের শিক্ষাজীবনের ধারাবাহিকতা রক্ষা করার সুযোগ পাবে।
এর আগে চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার মূল ফলাফল প্রকাশিত হয়। ওই প্রকাশিত ফলাফল অনুযায়ী সারা দেশে সামগ্রিক পাসের হার ছিল বাহান্ন দশমিক ১২ শতাংশ। এছাড়া এই পরীক্ষায় মোট ৪০ হাজার ৮৪ জন শিক্ষার্থী জিপিএ-৫ অর্জন করেছে। অন্যদিকে মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল একষট্টি দশমিক শূন্য সাত শতাংশ এবং সেখানে জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ২৫০ জন শিক্ষার্থী। পাশাপাশি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ছিল ঊনপঞ্চচল্লিশ দশমিক ৪৩ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ অর্জনকারী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ৮৮৬ জন।
তবে এবারের প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায় যে উল্লেখযোগ্য সংখ্যক শিক্ষার্থী নির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে কৃতকার্য হতে পারেনি। পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, এ বছর এইচএসসি পরীক্ষায় ২ লাখ ৯৮ হাজার ৪০ জন শিক্ষার্থী একটি বিষয়ে এবং ১ লাখ ২৪ হাজার ৮৬৫ জন শিক্ষার্থী দুটি বিষয়ে অকৃতকার্য হয়েছে। ফল প্রকাশের দিনই শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন এবং প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা মাহদী আমিন এই বিশাল সংখ্যক শিক্ষার্থীর জন্য বিশেষ পুনর্বীক্ষা নেওয়ার ঘোষণা দিয়েছিলেন। মূলত তাদের সেই ঘোষণার আলোকেই এখন সুনির্দিষ্ট কর্মপরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।
সব মিলিয়ে চলতি বছর এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় এক বা দুই বিষয়ে অকৃতকার্য হওয়া মোট ৪ লাখ ২২ হাজার ৯০৫ জন শিক্ষার্থীর এই বিশেষ পুনর্বীক্ষায় অংশ নেওয়ার কথা রয়েছে। শিক্ষা সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন যে এই উদ্যোগের ফলে শিক্ষার্থীদের শিক্ষাজীবনে বড় ধরনের কোনো দীর্ঘসূত্রিতা তৈরি হবে না। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে পরীক্ষা শেষ করে ফলাফল প্রকাশ করা হলে শিক্ষার্থীরা দ্রুত উচ্চ শিক্ষায় প্রবেশ বা পরবর্তী প্রস্তুতি নেওয়ার পর্যাপ্ত সুযোগ পাবে।
আপনার মতামত লিখুন :