ভারতে চলমান আন্দোলন তাদের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক বিষয়: মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী
ডাকাতিয়ায় সেতু নেই, স্বেচ্ছাশ্রমে বাঁশের সাঁকো
বড় জয়ে এল ক্লাসিকোর প্রস্তুতি সারল রিয়াল মাদ্রিদ
যুক্তরাষ্ট্রের মাদার অব অল বম্বসের জবাবে ফাদার অব অল বম্বস আনছে ইরান
ইসরাইলের বসতি নীতির বিরোধী, জনগণের সঙ্গে বিরোধ নেই: যুক্তরাজ্য
জনপ্রিয় অনলাইন খাবার ও পণ্য সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশ এবং ডেলিভারি হিরো স্টোরস বাংলাদেশের পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে চলমান দুটি মামলার কার্যক্রম স্থগিত করেছে উচ্চ আদালত। প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাৎ বা বিশ্বাসভঙ্গের অভিযোগে নিম্ন আদালতে দায়ের হওয়া মামলাগুলোর বৈধতা চ্যালেঞ্জ করে আসামিপক্ষের করা পৃথক আবেদনের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এই আদেশ দেওয়া হয়। হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট বেঞ্চ মামলাগুলোর কার্যক্রম স্থগিত করার পাশাপাশি এই মামলা কেন বাতিল করা হবে না, তা জানতে চেয়ে একটি রুলও জারি করেছেন।
আইনি লড়াইয়ের মুখে পড়া এই পাঁচ কর্মকর্তা হলেন ফুডপ্যান্ডা বাংলাদেশের সহপ্রতিষ্ঠাতা ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দা আম্বারীন রেজা, সহপ্রতিষ্ঠাতা ও পরিচালক জুবায়ের সিদ্দিকী, ডেলিভারি হিরো স্টোরস বাংলাদেশের পরিচালক মোহাম্মদ তাবরেজ খান, হেড অব ক্যাটাগরি দিলারা ফারুক এবং সিনিয়র ম্যানেজার ও পরিচালক মো. সাজেদুল হক। মূলত প্যান্ডামার্ট পরিচলায় যুক্ত এই শীর্ষ কর্তাব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইপিএলই ডিস্ট্রিবিউশন নেটওয়ার্কের স্বত্বাধিকারী শিহাব মাহমুদ বশির বাদী হয়ে ঢাকার নিম্ন আদালতে এই মামলাগুলো দায়ের করেছিলেন।
মামলার বিবরণী থেকে জানা যায়, গত বছরের জুলাই মাসে বাদীপক্ষ ওই পাঁচ কর্মকর্তার বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে আদালতে মামলা দায়ের করেন। এরপর আদালত গুলশান থানাকে অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের নির্দেশ দেন এবং পুলিশ তদন্ত শেষে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে আদালতে প্রতিবেদন জমা দেয়। পরবর্তী সময়ে বিচারিক আদালত অভিযোগ আমলে নিয়ে অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করলে আইনি সুরক্ষার জন্য উচ্চ আদালতের শরণাপন্ন হন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, এর আগে আসামিরা উচ্চ আদালত থেকে নির্দিষ্ট মেয়াদের আগাম জামিন নিয়ে পরবর্তীতে নিম্ন আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিননামা সম্পন্ন করেছিলেন। কিন্তু বিচারিক প্রক্রিয়ায় অভিযোগ আমলে নেওয়ার পর মামলা থেকে অব্যাহতি পেতে তাঁরা হাইকোর্টে নতুন করে আবেদন জানান। গত কিছুদিন আগে সেই আবেদনের ওপর শুনানি অনুষ্ঠিত হয় এবং আদালত উভয়পক্ষের আইনজীবীদের বক্তব্য শুনে মামলা দুটির ওপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবীরা গণমাধ্যমকে জানিয়েছেন যে, উচ্চ আদালত আগামী তিন মাসের জন্য এই মামলা দুটির বিচারিক কার্যক্রম স্থগিত রেখেছেন। একইসঙ্গে মামলার বাদীকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে এই রুলের যথাযথ জবাব দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই আদেশের ফলে আপাতত ওই পাঁচ শীর্ষ কর্মকর্তা আইনি স্বস্তিতে রয়েছেন বলে সংশ্লিষ্ট আইনজীবীরা মত প্রকাশ করেছেন।
আপনার মতামত লিখুন :