ঢাকাস্থ বৃহত্তম ময়মনসিংহ জাতীয়তাবাদী আইন ছাত্র ঐক্য ফোরামের আত্মপ্রকাশ
ইসরায়েলি সেনাদের ওপর একাধিক হামলার দায় স্বীকার করেছে হিজবুল্লাহ
ইরানের সামরিক অভিযান ‘নির্ধারিত সময়ের আগেই’ সম্পন্ন হয়েছে : ট্রাম্প
দেশনেত্রী ফোরামের উদ্যোগে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান ও বেগম খালেদা জিয়ার সমাধিতে শ্রদ্ধা
বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
মসজিদ পরিচালনা কমিটি গঠনে তীব্র বিতর্ক, নাখোশ মুসল্লী।যশোর সদর উপজেলার চাঁচড়া মধ্য পাড়া জামে মসজিদ নিয়ে বিপাকে মুসুল্লিরা। বিতর্কিত, অ মুসুল্লী, দাড়ি না রাখা ও আওয়ামীলীগের রাঘব বোয়ালরা দীর্ঘ দিন কমিটি পরিচালনা করছে। ঈদে ছাড়া আয় ব্যায়ের হিসাব দেয়না। নামাজী মানুষ কে জীম্মি করে মুসুল্লিদের মতামত না নিয়ে ২৭ সেপ্টেম্বর আবারো সেই একই হর্তা কর্তা কমিটি গঠন করেছে। নাখোশ মুসুল্লী। এ ঘটনায় সেখানে তীব্র উত্তেজনা বিরাজ করছে।
এদিন মতামত না নিয়ে যে কমিটি গঠন করা হয়েছে তার সভাপতি আরজু মিয়া, সাধারণ সম্পাদক জৈনক পিকুল। আর ক্যাশিয়ার টগর। আছে সাবেক মেম্বর শান্তি। এদের প্রধান উপদেষ্টা আনোয়ার হোসেন সর্দার। কমিটির সকলেই আওয়ামীলীগের বিভিন্ন পদে আসীন রয়েছে। এর আগে দীর্ঘ ২০/২৫ বছরের বেশি সময় ধরে এরাই কমিটি পরিচালনা করছে।
স্থানীয়রা জানান, তাদের দাবি ছিল পবিত্র কোরআন ও হাদিস সাপেক্ষে কমিটি গঠনের। কিন্ত গঠিত কমিটি ধর্মপ্রাণ মুসুল্লিদের অধিকার হরণ কারী হিসাবে চিন্নিত। তাছাড়া ওদের অনেকে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়ে না। অনেকের মুখে দাঁড়ি নেই। হিন্দু না মুসলিম বোঝা দায়। কমিটির সাধারণ সম্পাদক পিকুল যশোরের আরবপুরের অন্যতম শীর্ষ সন্তাসী, কিলার সাহারুল ইসলামের লোক। এটি সর্বজন জানা বিষয়। সাধারণ মানুষের ভোট অধিকার হরণকারী, ভোট কেন্দ্র দখলকারী, চাঁদাবাজ, সন্ত্রাসের সেল্টারদাতা হিসাবে এই সাহারুলের দুর্নাম ব্যাপক।
সেই করোনার সময় থেকে এই কমিটির নেতৃবৃন্দ বিতর্কিত। এই কমিটির কার্যক্রম প্রশ্নবিদ্ধ। মুসুল্লিরা প্রশ্ন তুলেছেন স্ট্যাবলিস মাদকাসক্ত শান্তি কিভাবে কমিটিতে আসতে পারে। করোনা কালীন সময়ে এরা নিজেরা মসজিদে নামাজ পড়েছে কিন্ত মুসুল্লিদের ঘাড় ধাক্কা দিয়ে মসজিদ থেকে বের করে দিয়েছে। তা নিয়ে তীব্র জনরোষ এলাকায়।
ব্যাবসায়ী সান্টু মল্লিক বলেন, তারা অনেকেই আওয়ামীলীগ নির্ভর ওই কমিটির বিপক্ষে। বিষয়টি নিয়ে তারা নামাজী, কর্মী বান্ধব বিএনপি নেতা অনিন্দ ইসলাম অমিতের সাথে দেখা করে মুসুল্লীদের ক্ষোভ তাকে জানাবেন। তারা আশা করেন বিএনপির খুলনা বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বাস্তবতা বুঝে সমাধানের উদ্যোগ নেবেন।
আরও পড়ুন: ঠাকুরগাঁওয়ে খেলাফত মজলিসের বিক্ষোভ ও প্রতিবাদ
এছাড়া একলাস মল্লিক, আমজাদ হোসেন, মোস্তাফিজুর রহমান কচি, হ্যাপি এই কমিটির বিপক্ষে। চাঁচড়া মধ্যপাড়া জামে মসজিদে হাজার মুসল্লি একসাথে নামাজ পড়তে পারে। দ্বিতল মসজিদটি বড় হওয়া সত্ত্বেও কোল টানা, মুসুল্লীর জীম্মি দশা, আর্থিক লুটপাট, বিতর্কিত কমিটির কারণে নানা প্রশ্নবিদ্ধ। সঙ্গত কারণে সেখানে এখন চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে।
আপনার মতামত লিখুন :