বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
রমজান ও তার হত্যাকারীদের পোস্টার যশোর শহর জুড়ে। যশোর শহরে সম্প্রতি একটি পোস্টার বিভিন্ন স্থানে মারা হয়েছে। সিভিল কোর্ট মোড়, মুজিব সড়ক, রেলগেটসহ বিভিন্ন এলাকায় পোস্টারটি পথচারীর দৃষ্টি আকর্ষণ করছে।
পোস্টারে লেখা, ‘যশোরের রেলগেট পশ্চিম পাড়ায় ইট বালি ব্যাবসায়ী শেখ রমজান কে নৃসংশভাবে কুপিয়ে হত্যার বিচার চাই — –‘ পোস্টারে ১ নং আসামী পিচ্চি রাজা, পিতা মুজিবর, ২ নং আসামী তুহিন, পিতা কানা বাসার, ৩নং আসামী বাবু ওরফে পলিথিন বাবু, পিতা জিহাদ আলী, ৪ নং আসামী কুদরত, পিতা ফারুক, সাগর পিতা ড্যাব এর ফাঁসি চাই – লেখা আছে।
পথচারীরা এ বিষয়ে বলেন, উল্লেখিতরা সকলেই চিন্নিত সন্তাসী। এরা বহু মামলার আসামী। তবে লোকাল রাজনৈতিক সেল্টারে এরা বার বার অপরাধ করেও পার পেয়ে থাকে। এসব আসামির সাথে যশোরের এলিট শ্রেণীর বেজায় সক্ষতা। মূলত: এসব কাল্পরিটের হাতে জীম্মি যাশোর শহর ও শহরতলীর মানুষজন। এরা কেউ শ্রমিক নেতা, কেউ আবার ব্যাবসায়ী, তবে এরা সবাই প্রশাসন কতৃক স্বীকৃত সন্তাসী।
এরা আরো জানান, নিহত শেখ রমজান গোপালগঞ্জের সন্তান। মারা যাওয়ার পর ওর লাশ নিজের জন্মভূমিতে নিয়ে যাওয়া হয়েছে।তারা যশোরে আসার পর তাদের অনেক ক্ষতি করেছে সামাজিক দূর্বত্বরা। রেলগেট পশ্চিম পাড়ায় ওরা বসবাস করতো।
আরও পড়ুনঃ বৃক্ষপ্রেমিক আব্দুল ওয়াহিদ সরদার মাথায় টোকার উপর গাছের চারা রোপন করেছেন
এদিকে খোঁজ নিতে জানা যায়, রেলগেট পশ্চিম পাড়া, খড়কি, রায়পাড়া, চরমারা দীঘির পাড়, ডালমিল, ইসমাইল কলোনি এলাকায় বাড়ি করতে গেলে ওইসব সন্ত্রাসীদের টাকা চাঁদা দিতে হয়। এছাড়া শালিশের নামে টাকা আদায়, জমি বেচা কেনায় চাঁদা, চোর সিন্ডিকেট পরিচালনা, আটকে রেখে টাকা আদায় অপরাধ করে এসব সন্ত্রাসীরা। এরা সকলেই রাজনৈতিক মিছিল মিটিং এ থাকে। এ কারণে মানুষ মুখ খুলতে পারে না। এমনকি সাংবাদিকদের সাথে সক্ষতার কারণে তাদের ও তাদের অপকর্মের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হয় খুব কম। একারনে প্রশাসন বেশিরভাগ সময় থাকে অজানায়। ফলাফল শত অপকর্মে জানাজানি হয় মাত্র দু চারটি।
আপনার মতামত লিখুন :