বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
রাজধানীর বেইলি রোডে বহুতল ভবনে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের নেপথ্যের কারণ খুঁজছে ফায়ার সার্ভিস ও অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)। আগুন নিয়ন্ত্রণে আসার পরই ঘটনাস্থল থেকে ১৫টির বেশি আলামত সংগ্রহ করেছে সিআইডির ফরেনসিক টিম। সেগুলো পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। আগামী সপ্তাহেই প্রতিবেদন পাওয়া যাবে।
বৃহস্পতিবার রাজধানীর মালিবাগে সিআইডি সদর দপ্তরে এক সংবাদ সম্মেলনে সংস্থাটির প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া এ তথ্য জানান, বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড গ্যাস সিলিন্ডার থেকে সূত্রপাতের সম্ভাবনাই বেশি।
আরও পড়ুনঃ টিসিবি কার্ডধারীদের তালিকা হালনাগাদ হচ্ছে: আহসানুল ইসলাম টিটু
তিনি বলেন, বেইলি রোডের অগ্নিকাণ্ড নিয়ন্ত্রণে ফায়ার সার্ভিস যখন সব কাজ শেষ করে, আগুন নিভিয়েছে তখন সিআইডির একাধিক টিম সেখানে কাজ করেছে। সেখানে সিআইডির ফরেনসিক টিম, ডিএনএ টিম ও কেমিক্যাল টিম কাজ করেছে। বেশকিছু আলামত সংগ্রহ করে পরীক্ষাগারে পাঠানো হয়েছে। দুই-এক দিনের মধ্যেই রিপোর্ট পাওয়া যাবে।
সিআইডিপ্রধান বলেন, প্রাথমিকভাবে আমরা যেটা জানতে পেরেছি- গ্যাস সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাতের সম্ভাবনাই বেশি। কেমিক্যালের আলামতও পরীক্ষা করা হচ্ছে। এর কারণ হচ্ছে সেখানে বিস্ফোরকজাতীয় কিছু ছিল কি না। আলামত পরীক্ষার রিপোর্টের অপেক্ষায় আছি। রিপোর্ট পেলেই আগুনের কারণ নিশ্চিত হবে।
আরও পড়ুনঃ অসাধু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে: শেখ হাসিনা
উল্লেখ্য, বৃহস্পতিবার রাত ৯টা ৫০ মিনিটে রাজধানীর বেইলি রোডের গ্রিন কোজি কটেজ ভবনে আগুন লাগার সংবাদ পায় ফায়ার সার্ভিস। এরপর ঘটনাস্থলে ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত ৪৬ জনের মৃত্যু হয়েছে।
আপনার মতামত লিখুন :