বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলন কুষ্টিয়ার আহবায়ক শ্রেষ্ঠ, সদস্য সচিব আলী
ছাত্রদল সভাপতি সোহাগ ভূঁইয়ার জন্মদিন উপলক্ষে পথচারীদের মাঝে খাবার বিতরণ
সংসদ নির্বাচনে থাকছে না পোস্টার, এক আসনে ২০টির বেশি বিলবোর্ড নয়
দেশ নেত্রী ফোরামের পূর্ণাঙ্গ কমিটি নভেম্বরে
ইউনিলিভার বাংলাদেশের নতুন সিইও ও এমডি রুহুল কুদ্দুস খান
বাড়িতে ডেকে নিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণ।শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার ডুবিসায়বর এলাকায় বাড়িতে ডেকে নিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে রাকিব মাদবর (২২) নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে জাজিরা থানায় মামলাটি দায়ের করেন ভুক্তভোগী শিশুটির বাবা।
মামলা সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত রাকিব মাদবরের বাড়ি ভুক্তভোগী শিশুটির বাড়ির পাশেই। রাকিব মাদবর স্থানীয় রাজা মিয়া মাদবরের ছেলে। ১৩ বছর বয়সি ভুক্তভোগী ওই শিশুটি চতুর্থ শ্রেণির শিক্ষার্থী। শিশুটি স্কুলে যাওয়ার সময় প্রায়ই অভিযুক্ত রাকিব মাদবর তাকে বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে কুপ্রস্তাব দিতে থাকে।
সর্বশেষ ১১ আগস্ট দুপুরে রাকিব মাদবরের বাড়িতে কেউ না থাকার সুযোগে ভুক্তভোগী শিশুটিকে তার বাড়িতে ডেকে নিয়ে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে রাকিব মাদবর। ধর্ষণের পর ভুক্তভোগী ওই শিশুটি এ ঘটনা কাউকে যাতে না বলে সেই জন্য তাকে প্রাণনাশসহ বিভিন্ন ধরনের হুমকি প্রদান করে আসামি রাকিব।
ঘটনা জানাজানি হলে একপর্যায়ে জাজিরা প্রেস ক্লাবের স্থানীয় সংবাদকর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে জাজিরা থানা পুলিশকে বিষয়টি অবহিত করেন এবং ভুক্তভোগী পরিবারটি জাজিরা থানায় এসে উক্ত মামলাটি দায়ের করেন। এ ঘটনায় এখনো পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। তবে ভুক্তভোগী শিশুটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে পাঠিয়েছে জাজিরা থানা পুলিশ।
আর পড়ুন:মেয়েকে বাঁচাতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে প্রাণ গেল গৃহবধূর
এদিকে অভিযুক্ত রাকিব মাদবর ঘটনাটি অস্বীকার করলেও তার বাবা স্থানীয় গরু ব্যবসায়ী রাজা মাদবর এবং তার স্ত্রী বলেন, আমার ছেলে যদি এ ধরনের কাজ করে থাকে তাহলে আমার ছেলের সঙ্গে ওই মেয়ের বিয়ে দিতে চাই আমরা। এছাড়া আমাদের আর করার কিছুই নেই। তবে ভুক্তভোগী পরিবারটিকে বিভিন্ন ধরনের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।
তবে অভিযুক্ত শিশুটির বাবা তার মেয়ে অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়া ছাড়াও বিভিন্ন কারণে অভিযুক্ত রাকিবের সঙ্গে তার মেয়েকে বিয়ে দেবেন না বলে জানান। এছাড়া আসামি রাকিব মাদবর মাদকাসক্ত দাবি করে তিনি বলেন, এই ছেলে ও তার পরিবার পরে আমার মেয়েকে মেরে ফেলবে। তাই আমি তার সঙ্গে আমার মেয়েকে বিয়ে দেব না। আমি রাকিব মাদবরের কঠিন বিচার চাই।
জাজিরা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, আমরা অভিযোগ পাওয়ামাত্রই অভিযুক্ত রাকিব মাদবরের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা নিয়ে মেয়েটিকে শারীরিক পরীক্ষার জন্য পাঠিয়েছি। আসামিদের গ্রেফতার করার চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে এবং তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
আপনার মতামত লিখুন :